কুমিল্লার শ্রীকাইলে নতুন গ্যাস কূপের সন্ধান

158

স্টাফ রিপোর্টার:কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল এলাকার পূর্ব জোনে নতুন একটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) এই গ্যাসস্তর আবিষ্কার করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, কুমিল্লার শ্রীকাইলে এই গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের কৃতিত্ব বাপেক্স-এর।বাপেক্স গত আগস্ট মাসের ৬ তারিখে এখানে অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু করে।

অবশেষে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গ্যাস স্তরের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার খবর মেলে। ৩ হাজার ৬৫ মিটার গভীরে অবস্থিত এই গ্যাস স্তর থেকে দৈনিক ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলে জানায় বাপেক্স। কাছাকাছি প্রসেস প্লান্ট রয়েছে। শুধু ১০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এ কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের অবস্থান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের শ্রীকাইল গ্রামে।

এটি বাঙ্গরা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৭ কিমি দূরে ও একই অভিন্ন ভূ-কাঠামোতে অবস্থিত এবং এই দুটি ক্ষেত্র ১৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এর আগে ২০০৪ সালে প্রথম শ্রীকাইলে গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হলেও ত্রুটিপূর্ণ খনন কাজের কারণে সেবার গ্যাস মেলেনি।বর্তমান সরকারের আমলে এখানে ২০১২ সালের ৫ মে হতে শুরু করে ৩০ জুন পর্যন্ত খনন করে ৩,২১৮ মিটার গভীরে গ্যাস পাওয়া যায়।

আনুমানিক মজুদের হিসাবে এটি একটি মধ্যমাকৃতির গ্যাসক্ষেত্র। বাপেক্সের হিসাব অনুযায়ী, এখানে মোট গ্যাসের মজুদ ৩০০ বিলিয়ন ঘনফুট।উল্লেখ্য, এতদিন এই গ্যাসক্ষেত্রের দুটি কূপ থেকে দৈনিক ৪১-৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে তা জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছিলো। এখন নতুন এই আবিষ্কার জ্বালানী খাতের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

Loading...