টেলিটকের গাড়ি আটকে টাকা চাইলেন ছাত্রলীগ নেতা

5
স্টাফ রিপোর্টার:বিভিন্ন অভিযোগ এনে সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার কোন অবস্থাই ছিল না বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে এসে তিনি এ দাবি করেন। আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, প্রথম যে দিন নির্বাচনী মিটিং করি, এরপর একজনকে এরেস্ট করে নিয়ে যাওয়া হয়। আমার বাড়ি পুল

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রাজিব। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটকের এক নারী কর্মীর গাড়ি আটকানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার বুয়েট হাইস্কুলের পাশে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রাজিব বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের ছাত্র।

এ ঘটনায় ওই নারীকর্মী নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সাহেব আলীর কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। গাড়ি আটকানোর বিষয়টি সাহেব আলীও নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ওই নারীকর্মী বিটিসিএলের রমনা অফিসে কাজ করেন। অফিসের কাজ সেরে রাত ৮টার দিকে তিনি অফিসের মাইক্রোবাসে করে আজিমপুরে তাঁর বাসায় ফিরছিলেন। রমনা এলাকা থেকেই ঢাকা মেট্রো ল-২১-০২৮৬ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার সংযুক্ত একটি মোটরবাইক তাঁদের অনুসরণ করতে থাকে। মাইক্রোটি বুয়েট হাইস্কুলের কাছে পৌঁছালে বাইকে থাকা দুজন সেটিকে আটকায়। এ সময় বাইকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ করে চালকের কাছ থেকে চাবি কেড়ে নিয়ে টাকা দাবি করা হয়। ওই নারীকর্মী শহীদ মিনারে টহলরত পুলিশের সাহায্যে নীলক্ষেত ফাঁড়ির এসআই সাহেব আলীকে ফোন করে গাড়ি আটকানোর অভিযোগ করেন। সাহেব আলী এসে ঘটনা শুনে মাইক্রোবাসটিকে মুক্ত করেন।

ঢাকা মেট্রো ল-২১-০২৮৬ নম্বরের গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিবের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে রাজীব বলন, ‘গাড়িটি আমার বাইককে ধাক্কা দিয়েছিল। এজন্য তাদের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছি।’

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি আমরা নিরাপদ না থাকি তাহলে কোথায় নিরাপদ থাকব?’ পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানিয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করবেন বলেও  জানান তিনি।

ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানতে চাইলে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাঁরা ব্যবস্থা নেবেন।