Breaking News
Home / সারা দেশ / রাতের ঢাকায় বিপদজনক ১৮টি রাস্তা

রাতের ঢাকায় বিপদজনক ১৮টি রাস্তা

রাজধানী ঢাকা বড়ই বিচিত্র শহর। এখানে কোটি মানুষের ওপরে বাস। অপরাধ প্রবণতাও কম নয়। তবে সন্ধ্যা নামতেই কর্মমূখর রাজধানী ঢাকার চিত্রপট বদলাতে শুরু করে। ছিনতাই, ভাসমান পতিতা আর হিজরাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ নগরবাসী।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাকের ডগা দিয়ে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি সিন্ডিকেট। পুরো রাজধানী জুড়ে ১৮টি রাস্তাজুড়েই সন্ধ্যার পর থেকে অপরাধীরা সক্রিয় থাকে বলে পূর্বপশ্চিমকে জানিয়েছে পুলিশের একটি সূত্র।

সূত্রটি জানিয়েছে, রাজধানীর ৪৯টি থানার নির্জন এলাকাগুলোর পাশাপাশি লোক সমাগম রয়েছে- এমন সব জায়গায় প্রতিনিয়তই ঘটছে নানা অপকর্ম। ভাটারা থানার নতুন বাজার, ভাটারা থানার সামনে, বাড্ডা থানার আফতাব নগর, ডিআইটি প্রজেক্ট, বনানী থানার মাছরাঙা টেলিভিশনের দু’পাশে, মহাখালী ফ্লাইওভার, তেজগাঁও থানার রেলস্টেশন, বিজয় সরণি, কাফরুল থানা থেকে সেনানিবাসের দিকের রাস্তা, মিরপুর থানার উল্টোদিকের রাস্তা, মিরপুর স্টেডিয়ামের পাশের রাস্তা, মোহাম্মদপুর থানার পেছনের রাস্তা, পল্টন থানার উল্টোদিকের রাস্তা, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার থেকে ফার্মগেটের সব ওভারব্রিজের নিচে ও উপরে, শেরেবাংলা নগর থানার আগারগাঁও আবহাওয়া অফিস থেকে তালতলার রাস্তায় ও পাসপোর্ট অফিসসহ ৪৯ থানা এলাকায় নিয়মিত ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা ছাড়াও নানা অপকর্ম হয়ে থাকে।

পেশাদার ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্য ও ছাত্রলীগ নেতাদের নেতৃত্বে রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা শুধু মালামালই ছিনতাই করে না। ছিনতাইকারীদের অস্ত্র, ছুরিকাঘাত ও গুলিতে মৃত্যুও হয়েছে অনেকের।

ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বলেন, মাসিক অপরাধবিষয়ক সভায় এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্পট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব স্থানে ডিএমপির পক্ষ থেকে টহল বাড়ানো এবং এলাকাগুলোকে পুরোপুরি সিসিটিভির আওতায় আনা হচ্ছে। ফলে কেউ অপরাধ করে বাঁচতে পারবে না।

এদিকে, ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় জিডি করা হলেও তা তদন্তে আগ্রহ নেই পুলিশের। গ্রেফতার হচ্ছে না ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। ফলে বন্ধ হচ্ছে না ছিনতাইয়ের ঘটনা।

Facebook Comments
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.