৪ বার করেছি প্রয়োজন হলে আবার করবো, দেখবো কোন পুলিশ আসে বিচার করতে: ইউপি সদস্য

992

স্বামী মা/রা যাওয়ার পর থেকেই মাঠে কাজ করে সংসার চালান বুধি বেগম। কোনো দিন দু-বেলা আবার কোনো দিন ১ বেলা খেয়েও দিন কাটতো তার। তারপরও মেয়ের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করেছেন। এছাড়াও মেয়ের যাতে কোনো কষ্ট না হয়, সে কারনে কর্মস্থলেও না নিয়ে ঘরে রেখে যেতেন তিনি। তবে কে জানতো ঘরে রেখে যাওয়াটাই তার জন্য কাল হয়ে দাড়াবে? জানা গেছে, মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে সুযোগ নিতেন গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ‍ওরফে বাতাসু (৮০) নামে এক বৃদ্ধ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের আরাজী পাহাড় ভাঙা গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দীনের শিশু কন্যাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে /ধ//র্ষ//ণ// চেষ্টার করেন ঐ বৃদ্ধ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটির পিতা মা/রা যাওয়ার পর থেকে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়ে। এই সুযোগে বৃদ্ধ সিরাজুল ইসলাম (বাতাসু) এর আগে ওই শিশুকে আরও ৩বা/র সর্বস্ব হারা করেন। সিরাজুল ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসিরুলের চাচা হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যনাকে দিয়ে /ভ/য়/ভী/তি দে/খি/য়ে /মি/মাং/সা করে দেয়। একই কায়দায় গত ২২ নভেম্বর বিকালে শিশুটিকে একা পেয়ে ন্যাক্কারজনক ঘটনার চেষ্টাকালে শিশুটি চি/ৎকা//র ক/রলে/ বৃ/দ্ধ সিরাজুল পালিয়ে যায়। এবং কাউকে না বলার জন্য তার হাতে ২ টাকা ধ/রি/য়ে দেয়। মেয়ে/র মুখে ঘটনা শোনার পর মা বুধি বেগম ইউপি সদস্য ও চেয়া/র/ম্যানের কাছে বিচার না পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

শিশুটির মা বুধি বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী দুবছর আগে/ মা/রা/ যায়। আমি ৩ মেয়ে/কে নিয়ে /খু/ব ক/ষ্ট করে/ দিন পার করছি। সারাদিন মাঠে কাজ করি এই সুযোগে বৃদ্ধ সিরাজুল আমার শিশুর সাথে এর আগে ৩ বার ন্যা/ক্কা/রজ/নক ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি বিচার পাইনি। ফের গত রোববার বাচ্চাটার সাথে /ন্যা/ক্কা//র/জ/নক/ ঘটনার চেষ্টা চালায়।বুধি বেগম আরো বলেন, নাসিরুল মেম্বারের কাছে এ ঘটনার বিচার চাইতে গেলে তিনি আমাকে /বা/জা/রে /খা/রা//প/ /ভা/ষা/য় /গা/লি/গা/লা//জ করেন। এবং বলেন ৪ বার কেন প্রয়োজন হলে আরো এমন কাজ করবো। আমি দেখবো কোন পুলিশ আসে বিচার করতে।

ইউপি সদস্য মো. নাসিরুল ইসলামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, এ ঘটনার কোনো কিছু তিনি এর আগে জানতে না। ঠাকুরগাঁও থানা থেকে পুলিশ এসে তাকে ডেকে এ বিষয়ে অবগত করার পর তিনি সেখান যান। সংবাদ মাধ্যমকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই রবিউল আলম।