ডিসির সাথে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা, অতপর কারাদণ্ড

5

ডিসির সাথে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা, অতপর কারাদণ্ড   জলবায়ু পরিবর্তনের কথা বলে মাগুরার ডিসিসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে জাহিরুল ইসলাম নামে এক যুবককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী এ দণ্ডাদেশ দেন।   মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান জানান, জাহিরুল বাইসাইকেলে চড়ে সারাদেশ ঘুরে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির কথা বলে প্রতারণা করে অর্থ সংগ্রহ করে। এরই অংশ হিসেবে মাগুরার সড়ক জনপথ, গণপূর্ত, উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দপ্তর প্রধানদের প্রত্যায়ন গ্রহণ ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করছিলো।

সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তিনি মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে গিয়ে একইভাবে প্রতারণার মাধ্যমে প্রত্যায়ন ও অর্থ সংগ্রহ করতে যান। এ সময় জহিরুলের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে জেলা প্রশাসকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তার প্রতারণার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। পরে তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে দেখা যায় ইতিপূর্বে তিনি ২৫ জেলার জেলা প্রশাসকসহ ওই সব জেলার বিভিন্ন অফিস প্রধানদের প্রত্যায়ন গ্রহণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রচারণা চালানোর কথা বলে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও বিভিন্ন স্থানে গিয়ে তিনি এ কাজ করেছেন।   আজাদ জাহান আরও জানান, প্রতারণার মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রত্যায়ন ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে জাহিরুলকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করেছেন। জহিরুল গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামে ছেলে।   ইত্তেফাক/জামান