ব্রিজে ফাটলরোধে বালির বস্তা!

3

ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বারোবাড়িয়া ব্রিজের একাধিক স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় বালির বস্তা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে। শুক্রবার সকালে ঐ ব্রিজে একাধিক ফাটল বড় আকার ধারণ করলে এক লেন দিয়ে যানবাহন পারাপার করছে। ঘটনার তিনদিন পরও কর্তৃপক্ষ বালু ফেলে পরিস্থিতি করার চেষ্টা করছে ট্রাফিক পুলিশ ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এতে এই মহাসড়কের ঐ ব্রিজ অংশ জুড়ে প্রায় যানজট লেগে থাকে।

ঢাকা- আরিচা মহাসড়কের বারোবাড়িয়া সেতুতে ফাটল দেখে স্থানীয় লোকজন শুক্রবার ভোরে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে বিষয়টি জানালে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেন তারা। এতে প্রতিদিন ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দু’পাশে ব্যাপক যানযটের সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘ সাড়িতে দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলের ২১টি জেলার পথের দুরপাল্লার হাজার হাজার যানবাহনের। অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক, লড়ি, কার্গো চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো সময় সেতুটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় শতাধিক শ্রমিক ও সড়ক ও জনপথের এক ডজন কর্মকর্তা সেতুটি রক্ষা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ফাটল স্থানে বালুভর্তি বস্তা ফেলে সেতুর তলদেশে ঠেকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেতুর উপর দিয়ে মাঝখানে বালুর বস্তা ফেলে এক লেনে যান চলাচল করছে যানবাহন।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আতিকুল্লাহ ভুলু জানান, সেতুটি রক্ষার করার জন্য প্রাথমিকভাবে বালুর বস্তা ফেলে রক্ষার চেষ্টা চলছে। এ সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার গাড়ি চলাচল করছে। সেতুটি অনেক দিনের পুরানো হওয়ায় অতিরিক্ত পণ্যবাহী বালুবর্তী ট্রাক, দশ চাকার গাড়ি, কার্গো, কাঠ ও পাথর বোঝাই ট্রাক প্রতিদিন অভার লোড করে চলাচল করায় ব্রিজের উপর ফাটল দেখা দিয়েছে।

তবে অতিরিক্ত পন্যবাহী যান চলাচলের আরোপ না করলে সেতুটি ধসে যাওয়ার সম্ভব্যবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।সড়ক ও জনপথ বিভাগে উপ-সহকারী প্রকৌশল মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৬০ দশকে নির্মিত প্রায় ৭০টি পুরাতন সেতু রয়েছে।

এ সড়ক পথে অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক, লড়ি ওজন স্কেলে উৎেকোচের বিনিময়ে চলাচলের কারণে এই ব্রিজগুলো ঝুকি পূর্ণ হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশল মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভারি যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনতে অচিরেই তারা কর্তপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হবে।