Breaking News
Home / শিক্ষা / নিষিদ্ধ থেকে ভাল; ৭ ধরনের পানি সম্পর্কে জানুন

নিষিদ্ধ থেকে ভাল; ৭ ধরনের পানি সম্পর্কে জানুন

মিনারেল বা খনিজ পানি বলতে কী বুঝায়? সুগন্ধিযুক্ত পানি কি স্বাস্থ্যকর? এমন অনেক প্রশ্ন জাগে মনে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নানা ধরনের পানির মুখোমুখি হই।
বিভিন্ন উপলক্ষে আমরা যে নানা ধরনের পানি পান করি সেসব ঘিরে যে সন্দেহগুলো আছে সেগুলো দূর করার একটি প্রচেষ্টা রইল এখানে :
 ১. নিষিক্ত বা বিষমুক্তকারী পানি আজকাল এই ধরনের পানি খুবই জনপ্রিয় একটি পানীয়। কাটা ফল, সবজি এবং ভেষজ একটি জারে ভরে তার সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মেশানো হয়। এটি শুধু সুস্বাদুই নয় বরং খুবই স্বাস্থ্যকরও বটে। এই পানীয় দেহকে বিষমুক্তকরণ এবং ওজন কমানোর কাজ করে বলেও কথিত আছে।
 ২. টনিক পানি প্রায়ই ককটেল বানানোর জন্য ড্রিঙ্ক মিক্সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কুইনিন যুক্ত করার ফলে এই পানির স্বাদ কিছুটা তেতো লাগে। প্রাথমিকভাবে এই পানি মেডিক্যাল টনিক হিসেবে ব্যাবহৃত হতো।
 ৩. ঝকঝকে পানি ঝকঝকে পানি এক ধরনের মিনারেল বা খনিজ পানি। যার মধ্যে প্রাকৃতিক রূপে দ্রবীভূত গ্যাস আছে। কিন্তু যেসব পানি কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করা হয় সেসব পানি মূলত কার্বনযুক্ত পানি। এগুলো তুলনামূলকভাবে একটু বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ এ পানিতে কোনো অতিরিক্ত সুগার বা চিনি থাকে না।
৪. আরও পানি কথিত রিভার ওসমোসিস (আরও) পানি প্রস্তুত করা হয় উচ্চচাপ প্রয়োগ করে আধা ভেদ্য ঝিল্লির মধ্য দিয়ে পানিকে প্রবাহিত হতে বাধ্য করার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কিছু লবণ, জৈব, ব্যাকটেরিয়া এবং রোগজীবাণু বিলীন হয়। তবে এতে সবধরনের জীবাণু, বিশেষত ভাইরাসগুলো দূর হয় না।
 ৫. সুগন্ধিযুক্ত পানি সুগন্ধিযুক্ত পানি ঘরে বা কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত হতে পারে। ঘরে প্রস্তুতের জন্য একটি জারে ভেষজ এবং ফলমূল রেখে চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর পানি যুক্ত করে পান করুন। এতে চমৎকার সুগন্ধী ছড়াবে। আর কৃত্রিমভাবে প্রস্তুতকৃত এই পানিতে কৃত্রিম সুগন্ধী যুক্ত করা হয়।
 ৬. মিনারেল ওয়াটার বা খনিজ পানি প্রাকৃতিক ঝর্ণা বা প্রস্রবণ থেকে সংগৃহীত পানি যা খনিজ পুষ্টি উপাদান, লবণ এবং সালফার সমৃদ্ধ, এই ধরনের পানিই মিনারেল ওয়াটার বা খনিজ পানি নামে পরিচিতি। আগের দিনে লোকে এসব প্রাকৃতিক ঝরনা বা প্রস্রবণগুলোর পানি পান করতেন রোগমুক্তির জন্য। কিন্তু এখন এসব উৎস থেকে সংগৃহীত পানি বোতলজাত করে বিক্রি করা হয়।
 ৭. ডিস্টিলড ওয়াটার এই পানিই সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি (৯৯.৯%)। আর এই পানি প্রস্তুত করা হয় ডিস্টিলেশন বা পাতন প্রক্রিয়ায় (বাষ্পীভবন এবং অন্যান্য পদ্ধতি ব্যবহার করে)। এই প্রক্রিয়ায় পানি থেকে সকল দূষণ উপাদানগুলো দূর করা হয়। তবে জীবাণুমুক্ত হলে এ পানিতে কোনো পুষ্টি উপাদান বা স্বাস্থ্যকর লবণও থাকে না।
Facebook Comments

Leave a Reply