ভ্যানেই সন্তান প্র’সব করলেন গৃহবধূ, ভর্তি নেয়নি কোন হাসপাতাল

83

করোনার ভ’য়ে চিকিৎসা না পেয়ে এক গৃ’হবধূ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে ভ্যানের উপর সন্তান প্র’সব করছেন।

নি’ম্নআয়ের শ্রমিকের কাজ করেও মে’য়ের জীবন বাঁচাতে সাতক্ষীরার বড় বড় দুটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও করোনার ভ’য়ে সেখানে তার ভর্তি নেয়া হয়নি।

অবশেষে সরকারি হাসপাতালে গিয়েও কোন চিকিৎসা পাওয়া যায়নি। নি’রূপায় হয়েই একজন ধা’ত্রী ডেকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভ্যা’নের উপর সন্তান প্র’সব করাতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সিভিল সা’র্জন বিষয়টি তিনি শুনেছেন, ত’দন্ত করে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিবেন। প্রতিবেশী কাকা ফরিদ উদ্দীন বাপ্পী জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝুটিতলা গ্রামের শ্রমিক পরেশ দাস তার তিন

মে’য়ের মধ্যে বড় মেয়ে শিমুলী রানী দাসের সাথে বছর দেড়েক আগে ছোনকা গ্রামের চন্ডি দাসের ছেলে বিধান দাসের সাথে বিয়ে দেন। প্রথা অনুযায়ী মে’য়ের প্রথম বাচ্চা প্রসবের জন্য বাপের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পহেলা মে মে’য়ের প্র’সব বেদনা শুরু

হলে মে’য়েকে প্রথমে বেসরকারি বড় হাসপাতাল চায়না-বাংলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে তারা ভর্তি নেয়নি। পরে ডক্টরস ল্যাব এন্ড হসপিটালে নিয়ে গেলে তারাও ভর্তি নেয়নি। অবশেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সরকারি সদর হাসপাতালে।

সেখানেও অনেক ডাকাডাকি করেও ডাক্তার পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে ভ্যানের উপর ধা’ত্রীর মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সন্তান প্র’সব করানো হয়। স্বজনরা বলেন, দুটি ক্লিনিকের পর হাসপাতালেও তার ভর্তি নেয়নি, অনেক ক’ষ্ট পেয়েছে সে। তারপরও সদ্য প্র’সূত

পুত্র রুদ্রকে নিয়ে এখন অনেকটা ভাল আছে সে। ডাক্তার নার্স থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের মেয়ে চিকিৎসা পেল না, এটাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের জিজ্ঞাসা। তারা বলেন, ক্লিনিকগুলো নাহয় করোনার ভয়ে ভর্তি নিচ্ছে না। তাই বলে সরকারি হাসপাতালে কেন চিকিৎসা হলো না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দা’বি এধরনের ক’ষ্ট যেন কেউ না পায়।

Loading...