যেসব শিক্ষকদের তালিকা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

94

সাধারণ শিক্ষায় সনদধারীদের কর্মসংস্থান না হওয়ায় উদ্যোক্তা হতে, কর্মসংস্থান তৈরিতে কারিগরি শিক্ষায় সবার মনোযোগে জোর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একইসঙ্গে কারিগরি শাখায় পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ‘জীবন নষ্ট করছেন’- এমন মন্তব্য করা সরকারি শিক্ষকদের নামের তালিকাও চেয়েছেন তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) আয়োজনে ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা: এসডিজি অর্জনে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে একথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খাঁন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোরাদ হোসেন মোল্লা।

২০২২ সালে মাধ্যমিকে কারিগরির দু’টি ট্রেড চালু করা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার হার আরও বাড়বে। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক মানের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে। এ কারণে সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষায়ও আমরা কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে তুলছি। নবম-দশম শ্রেণিতে অন্তত দু’টি ট্রেড বাধ্যতামূলক করার ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করছি ২০২২ সালে সবস্থানে চালু করতে পারবো।’

শিক্ষামন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কারিগরির অনেক সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নাকি বলেন, তারা শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করছেন। আমি জানতে চাই তারা কোন শিক্ষক। আর কারিগরির শিক্ষকরা এটা কী করে বলেন? কারণ কারিগরির কোন শিক্ষার্থী বেকার থাকছে? তাদের কর্মসংস্থান হচ্ছে। বরং যারা অন্য শিক্ষায় আছে সনদধারী হয়েও তাদের কর্মসংস্থান হচ্ছে না। আমাদের এদিকেও মনোযোগ দিতে হবে। সবাইকে চাকরি খুঁজলে হবে না। উদ্যোক্তা হবে, অনেককেই নিজের কর্মসংস্থান নিজেকেই সৃষ্টি করতে হবে। কাজেই সেই মনোভাবটিও আমাদের গড়তে হবে।
বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ