রেলকে বিভিন্ন সময় ধংস করে দেয়া হয়েছিল : রেলমন্ত্রী

67

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলকে বিভিন্ন সময় ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল। রেলে কোনো সম্প্রসারিত করা হয়নি বরং সংকুচিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ৭২/৭৩ সালে রেলের কর্মকর্তা কর্মচারির সংখ্যা ছিল প্রায় ৭০ হাজারের মতো। সেটা নেমে এখন ২৫ হাজারে এসেছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রেল মন্ত্রনালয় গঠন করার মধ্যদিয়ে নতুন প্রকল্প গঠনের মাধ্যমে রেলকে আবার আগের যৌবনে ফিরিয়ে আনার জন্যে কাজ করছেন।

আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে ১৯৬৫ সালে পাক ভারত যু’দ্ধের সময় দুদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেগুলো কে নতুন করে চালু করেছেন। নতুন নতুন রেল সংযোগ দিচ্ছেন।
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাতে যশোর সার্কিট হাউজে নাগরিক আন্দোলন যশোর নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।

এসময় নাগরিক আন্দোলন যশোরের পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এছাড়াও মন্ত্রী যশোর এসে পৌছালে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তার সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার। তিনি যশোরের আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজে আসনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্লাটফর্ম উচু এবং আধুনিয়কায়ন করাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন মন্ত্রীর কাছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সহসভাপতি আব্দুল মজিদ, প্রচার সম্পাদক মুন্সি মোহম্মদ মহিউদ্দিন, পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদারসহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শাসুজ্জামান, জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ অপু সারোয়ারসহ নাগরিক আন্দোলন যশোরের নেতৃব্ন্দৃ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় রেলমন্ত্রী আরো বলেন, রেল এখন খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার রেলপথ চালু হচ্ছে। রেল পরিচালনার ক্ষেত্রে রেল ক্রসিং এর জন্যে রেল চলাচল ব্যহত হয়। যে কারনে আন্ডার পাস ওভার পাস করা হচ্ছে। কোন স্থানে যেন রেল ক্রসিং না হয় আমরা সেই নীতি ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছি।