বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক ধর্ম, সংস্কৃতি ও সমাজ অনুমোদন করে না’

118

তোফায়েল আহমেদ: পূর্ণ সম্মতি, অর্ধ সম্মতি, কৌশলে সম্মতি আদায় করে (যেকোনোভাবে) শারীরিক সম্পর্ক হলো এবং তা স্বল্পকাল স্থায়ী হলো। কয়েকদিন থেকে কয়েক মাস। তারপর অভিযোগ হলো, আইন অনুযায়ী ‘ধ’র্ষণ’ মা’মলা হতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে সাজা নিয়ে। এমনও আছে, এ সম্পর্কে পরিণতিতে কোনো কোনো নারী অন্তসত্ত্বা হতে পারে। তখন ওই নারী এবং তার শিশুর ব্যবস্থা কী হতে পারে। ১৪ বছরের একটা ছেলে কর্তৃক নয় বছরের মেয়ের সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক হলো। জানিজানি হবার পর অভিভাবকই মা’মলা করলেন ধ’র্ষণের। তখন আভিভাবক যা বলে দেবেন, শিশু মেয়েটিও তাই বলবে। পশ্চিমে বাল্য বিয়ে নেই, কিন্তু বাল্য গর্ভ সমস্যা এবং গর্ভপাত আছে। এখানে এই বাংলায় এ ডিসকোর্স নিয়ে আলোকপাত শুধু আইনের দৃষ্টিতে করে একটা উপসংহারে আসা খুব কষ্টকর। তবুও আইনের সমাধানই হতে হবে শেষ মঞ্জিল। কিন্তু সে আইন , সামাজিক, নৈতিক,ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সকল বিষয়গুলোকে আত্মস্থ করে রচিত হওয়া লাগবে।

বিষয়টি এতো স্পর্শকাতর এ বিষয়ে স্রোতের বাইরে অনেকেই নানা বিষয় অনুভব করলেও বলতে চান না। এখন সবাই যে ‘ধ’র্ষণ’ নিয়ে কথা বলছেন তা ‘পুরুষ কর্তৃক নারী ধ’র্ষণ’। পুরুষ কর্তৃক পুরুষ বলাৎকার একটি মারাত্মক যৌন আপরাধ অহরহ সংগঠিত হচ্ছে। বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক ধর্ম, সংস্কৃতি ও সমাজ অনুমোদন করে না। কিন্তু আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অ’পরাধ নয়। কিন্তু পরিবার, সমাজ নানা শাস্তি দিচ্ছে। পশ্চিমের খএইঞ ৎরমযঃ ধহফ ঃড় বংঃধনষরংয ঝবী ভড়ৎ সড়হবু ড়ৎ ংবী ড়িৎশ ধং জরমযঃ বাংলাদেশে প্রয়োগের লক্ষে কিছু সংস্থা/সংগঠন/ব্যক্তি কাজ করছেন। আবার এ সবের বিরুদ্ধে তুমুল সামাজিক প্রতিরোধ আছে। তাই এ ডিসকোর্স নিয়ে নির্মোহ গবেষণার প্রয়োজন আছে। যৌনতা, যৌন লালসা মানুষের একটি আদিম প্রবণতা। এটি সমাজে থাকবে। হয়তো রূপ পাল্টাবে। আইনের শাস্তি, সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা ও সামাজিক প্রতিরোধ এ ক্ষেত্রে সবটার প্রয়োজন কখনো ফুরাবে না। ফেসবুক থেকে