‘জিয়া পরিবারের সবাই খুনি’

709

সরকারি দলের সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন বলেছেন, ‘ভোট চুরি করে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় গিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সংসদে বসায়। বিএনপির আমলে দেশ বার বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করে। তারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। তার ছেলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামালার সঙ্গে জড়িত। এই পরিবারের সবাই খুনি।’

জিয়াউর রহমানের পরিবারের জন্য এখন মানি প্রব্লেম হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বলেছিলেন মানি ইজ নো প্রব্লেম। কিন্তু জিয়া পরিবারের জন্য শেষ পর্যন্ত মানি ইজ প্রব্লেম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অর্থলোভী জিয়া পরিবারের অর্থের ক্ষুধার লোভে বিএনপি এখন পুড়ে মরছে। এই পরিবারের সবাই খুনী।’

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সাগুফতা ইয়াসমিন বলেন, যে দেশে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ থাকে, যে দেশের বড় রাজনৈতিক দল স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তিকে সহযোগিতা করে, সেই দেশকে এগিয়ে নেয়া সহজ নয়। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা সম্ভব করেছেন। সারা দেশের মানুষের কাছে আজ শেখ হাসিনার উন্নয়ন পৌঁছে গেছে, ভালোবাসা পৌঁছে গেছে।’

সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, পৃথিবীর নীপিড়িত শোষিত গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রেরণার উৎস বঙ্গবন্ধু। বিএনপি এখন পথহারা পথিক। তাদের পথ দেখানোর কেউ নেই। উদ্ভ্রান্তের মতই তাদের ঘুরতে হবে।

অসীম কুমার উকিল বলেন, যারা ইভিএম বিরোধীতা করে তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে এরকম পদ্ধতি ভোটার বাড়াচ্ছে। সামনে ইভিএম সর্বাত্মক ছড়িয়ে দিয়ে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করা হবে।

উপমন্ত্রী হাবিবুন্নাহার বলেন, রামপাল-মংলা একসময় নদী নালা খাল বিল এলাকা ছিল। এখন যা কিছু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্প হয়েছে। বনের জমি অনেকে দখল করে রেখেছে। এখন দখলমুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, দেশের টাকা বিদেশে যায়। শত শত কোটি নয়, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে যায়। কিন্তু ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলতে নানা কৈফিয়ত দিতে হয়। ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের ধরা হয় কিন্তু রাঘব বোয়ালরা পার পেয়ে যায়।

তিনি বলেন, সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু লোক বিরোধী দলের সাথে গোপনে আঁতাত করে। আবার তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় কথা বলে। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।