বাড়ি তার ভারতে, সরকারের উচ্চপদে চাকরি করেন সিলেটে

678

তুষার কান্তি সাহা ভারতে বাড়ি থাকার পরও বাংলাদেশের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য একটি দেশের নাগরিক হয়েও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে সরকারি চাকরি করেন কিভাবে, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উঠেছে। কমিটির সভাপতি মো. একাব্বর হোসেন এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

ভারতে বাড়ি থাকার পরও বাংলাদেশ সরকারের একটি দায়িত্বশীল মন্ত্রণালয়ের অধীনে কিভাবে চাকরি করেন। এ নিয়ে বৈঠকে জানানো হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তুষার কান্তি সাহার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপিত হয় সংসদীয় কমিটিতে। সিলেটে থাকলেও প্রায় তিনি অবৈধভাবে ভারতে যাওয়া আসা করেন।

প্রকৌশলী তুষার কান্তি সাহার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ও যুগ্ম সচিবকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিল সংসদীয় কমিটি। সেই তদন্তে তুষার কান্তি সাহাকে দোষীও করা হয়নি, আবার ছাড়ও দেওয়া হয়নি। এমন তদন্তের কারণে আবারও তুষার কান্তির বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হবে।

দায়সারাভাবে তদন্ত হওয়ায় প্রতিবেদনটি আমলে নেয়নি সংসদীয় কমিটি। এবার সচিবকে দিয়ে নতুন করে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। সচিব না পারলে অন্তত অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার কাউকে দিয়ে তদন্ত করার কথা বলেছে সংসদীয় কমিটি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সচিবকে বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. একাব্বর হোসেন বলেন, তুষার কান্তি সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি কর্মকর্তা কিভাবে অবৈধ পাসপোর্ট নিয়ে অন্য দেশে বসবাস করেন। বিষয়টি নিয়ে একবার তদন্ত হয়েছে, সঠিক তথ্য জানতে ফের তদন্ত করা হবে।