জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে সরাতে সরকার এজেন্সি দিয়ে কুমিল্লার ঘটনা ঘটিয়েছে: ফখরুল

271

সরকার এজেন্সি দিয়ে কুমিল্লার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদ সমবায় দলের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এমন অভিযোগ করেন।

কুমিল্লার একটি পূজা মণ্ডপে কোরআন অবমাননার অভিযোগে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। চাঁদপুরের হাজীপুরে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার দেশের স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীত বিনষ্ট করতে তার এজেন্সি দিয়ে কুমিল্লার ঘটনা ঘটিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে নানা সমস্যা রয়েছে। সেখান থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে কুমিল্লার ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ক্রমেই সরকার গঠনতান্ত্রিক স্পেস সংকুচিত করছে। পল্টন ময়দান, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মুক্তাঙ্গনসহ সভা-সমাবেশের জায়গা সংকুচিত করে ফেলছে সরকার। এখন প্রেসক্লাবও বন্ধ করে দিল।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে নব্বইয়ের ছাত্রনেতারা কর্মসূচি দিয়েছিলেন। সেখানে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছেন। সুদূর লন্ডন থেকে বক্তব্য রেখেছেন। তাতেই সরকার ভয় পেয়েছে। তারা এখন দুঃস্বপ্ন দেখছেন- এই বোধ হয় বিএনপি এলো। এখন দিনের বেলাও দুঃস্বপ্ন দেখে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের অসুস্থতা প্রসঙ্গে দলের মহাসচিব বলেন, ‘তার চিকিৎসার জন্য উন্নত হাসপাতাল দরকার, যেটা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া দরকার।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিন প্রাপ্য। তাকে মুক্তি দিতে হবে যাতে তিনি সুচিকিৎসা নিতে পারেন।’

সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ নূর আফরোজ বেগম জ্যোতির সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার প্রমুখ।