মৌসুমি রোগ ও রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা

211

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে মৌসুমি রোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি এবং পবিত্র রমজান ও ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে জনপ্রত্যাশিত সেবা, নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং জনদুর্ভোগ দুল করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।প্রধনমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভাকক্ষে বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে এ সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৌসুমি রোগ প্রতিরোধ বিশেষ করে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ মৌসুমি রোগ প্রতিরোধের প্রস্তুতি, এডিস, কিউলেক্স, অ্যানাফেলিস প্রভৃতি মশা নির্মূলে গৃহীত পদক্ষেপ ও প্রস্তুতি, মশক নির্মূলের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামাদি যথাসময়ে সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় লোকবল মোতায়েন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা মূলক প্রচারের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিভিন্ন মার্কেট, বাস-ট্রেন-লঞ্চ স্টেশনসহ জনপরিসরের নিরাপত্তায় গৃহীত পদক্ষেপ, গণ-উপদ্রব (প্রতারণা, ছিনতাই প্রভৃতি) প্রতিরোধ, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ মহানগরীগুলোর যানজট নিরসনে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, খাদ্য মন্ত্রণালয়, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জননিরাপত্তা বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, জননিরাপত্তা বিভাগকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ: রমজান মাসে বিশেষ করে ইফতার, তারাবিসহ নামাজ ও সেহরির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও সার্বক্ষণিক পানি সরবরাহে বিদ্যুৎ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং রেল যাত্রা- রেলের টিকিট প্রাপ্তি সহজলভ্য করার পদক্ষেপ, টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ, সিডিউল বিপর্যয় নিরসনে রেলপথ মন্ত্রনালয়কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সড়ক পথে যাত্রা: বাস স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, মহাসড়কের শৃঙ্খলা, যানজট নিরসন, বিভিন্ন রুটে বিআরটিসির বাস সংখ্যা বৃদ্ধি, টিকিট প্রাপ্তির সহজ লভ্যতা, রাস্তা ও সেতু সংস্কার নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নৌপথে যাত্রা: ফেরি চলাচল/ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধি, নৌ-ঘাট, ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা, নৌযানের মান নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধ, ঝুঁকিমুক্ত নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা, টিকিট প্রাপ্তির সহজলভ্যতা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিমান যাত্রা: অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি, টিকিটের মূল্য এবং শিল্প কল-কারখানার কর্মীদের যথাসময়ে মজুরি প্রদান ও ছুটি, গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন যথাসময়ে পরিশোধ, গার্মেন্টস কর্মীদের ছুটি পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রদান, পাটকল শ্রমিকদের যথাসময়ের মজুরি প্রদানের নির্দেশনাও দেওয়া হয়। বাসস  সূত্র বাংলা ট্রিবিউন

Loading...