হাজী সেলিমের বাড়ি থেকে অস্ত্র, মদ খুঁজে বের করলেন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের

149

সদস্য হাজী সেলিমের একটি বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। র‌্যাবের অভিযানে মদ, অস্ত্রসহ বিভিন্ন মালামাল খুঁজে পেয়েছে র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান চালায় বলে বেসরকারি টেলিভিশনগুলোতে দেখানো হয়।

এর আগে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মা’রধর ও হ’ত্যাচেষ্টা মা’মলায় ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী সেলিমের ছেলে ইফরান সেলিমসহ কয়েকজনকে গ্রে’প্তার করেছে র‌্যাব।
সোমবার দুপুরের দিকে হাজী সেলিমের বাসা থেকে তাদের গ্রে’প্তার করা হয়।
এরপর সুনির্দিষ্ট অভিযানের ভিত্তিতে র‌্যাব এ তল্লাশী চালায় বলে জানায়। অভিযান শেষে র‌্যাব সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযান চলছিল।
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ সোমবার দুপুরে বলেন, সোয়ারি ঘাট এলাকায় সাংসদ হাজী সেলিমের একটি বাড়ি আছে, সেটা ঘেরাও করে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছে।

রোববার রাতে ধানমণ্ডি এলাকায় হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মা’রধরের ঘটনায় সোমবার একটি মামলা হয় থানায়।
তাতে ইরফান সেলিম ছাড়াও হাজি সেলিমের প্রোটকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে পথরোধ করে সরকারি কর্মকর্তাকে মা’রধর, জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন মা’মলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খান।
মা’মলার এজাহারে বলা হয়েছে, লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো একটি কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

ওয়াসিফ ও তার স্ত্রী ধাক্কা সামলে মোটরসাইকেল থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে ওই গাড়ি থেকে জাহিদ, দিপু এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজন ‘অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ’ করতে করতে নেমে আসে এবং ‘মা’রধর’ শুরু করে। 
তারা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ ও তার স্ত্রীকে ‘উঠিয়ে নেওয়ার এবং হ’ত্যার’ হুমকি দেয় বলেও মা’মলায় অভিযোগ করা হয়।