এনআরসিকে কেন্দ্র করে সম্পর্ক যেন নষ্ট না হয়: এম এ আউয়াল

70

স্টাফ রিপোর্টার: ভারতে এনআরসির নামে মুসলমানদের ওপর পরিচালিত নি’র্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন ইসলামিক গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ আউয়াল। তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের যেভাবে সহযোগিতা করেছে, সেটা বাংলাদেশের জনগণ মনে রেখেছে, আগামী দিনেও মনে রাখবে। তবে এনআরসিকে কেন্দ্র করে সেটা যেন নষ্ট না হয়।’

বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে টঙ্গীতে ‘স’ন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদ’ক এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে আউলিয়ায়ে-কেরামের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্বে করেন ইসলামিক গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা ড. সৈয়দ আবু দাউদ মসনবী হায়দার। ‘হায়দারি দরবার শরীফ পাগাড় শাহ্ সাহেববাড়ি (পাগাড় শরীফ) জন্মদিন’ উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

এম এ আউয়াল বলেন, ‘ভারতের এনআরসি বিষয়ক জটিলতা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হলেও, একে কেন্দ্র করে মুসলমানদের ওপর নি’র্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীত রক্ষার লক্ষ্যে ভারত সরকারকে অবিলম্বে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা আগমনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি আসবেন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাকে। আমরাও উনাকে আমন্ত্রণ জানাই, উনি আমাদের দেশে আসবেন। কিন্তু আমি বলবো, তিনি আসার আগে যেন বিষয়গুলোর সমাধান করে আসেন। তাহলে বাংলাদেশের মানুষ খুশি হবে, বিশ্বব্যাপী সেটা প্রশংসিত হবে।’

এম এ আউয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে সামাজিক অবক্ষয়ের সৃষ্টি হয়েছে, মাদ’কের করাল গ্রাসে আজ যুব সমাজ এমনকি ছাত্রসমাজও ক্ষতিগ্রস্ত। জঙ্গিবাদ রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি ব্যাধি। এসব থেকে পরিত্রাণের জন্য যুগে যুগে আলেম সমাজ, পীর মাশায়েখরা কাজ করে গেছেন। তারা খানকায়, দরবারে-দরবারে কাজ করেছেন।

আমি মনে করি, পীর মাশায়েখরা যদি এসবের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসেন, তারা তাদের খানকা শরীফে, মিলাদ-মাহফিলে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন, তাহলে স’ন্ত্রাস-মাদ’ক-জঙ্গিবাদের মতো ব্যাধি দেশে থাকবে না।’আলোচনা শেষে ‘শাহ সুফি সৈয়দ আবু সাঈদ হায়দার শাহ’র মাজার জিয়ারত করেন এম এ আউয়াল।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অ্যাড. খন্দকার আতাউর রহমানসহ পীর মাশায়েখ, আলেম-ওলামারা। 

Loading...