Breaking News
Home / তথ্য প্রযুক্তি / ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)

ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)

সরকারের ভুল নীতি, ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগপদ্ধতি এবং অযৌক্তিক পদোন্নতি একটি প্রতিষ্ঠানকে কীভাবেধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিতে পারে, তার প্রমাণ রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। এক দশক আগেও (২০০৩-০৪) বিটিভির বছরে লাভ ছিল ৫২ কোটি টাকা, আর এখন লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
বিটিভির আয় কমার পাশাপাশি দর্শকসংখ্যাও কমছে। বাধ্য না হলে এখন কেউ বিটিভি দেখে না। এটা মূলত সরকার ও সরকারি দলের নেতা-সমর্থকদের প্রচারযন্ত্রে পরিণত হয়েছে।
জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রথম আলোকে বলেন, সম্প্রচার জগতের নন্দিত ও শক্তিশালী এই প্রতিষ্ঠান আশির দশক থেকে বিভিন্ন সরকারের অবহেলায় আজকের এই বাজে অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। বিটিভির খবর ও অনুষ্ঠানের মান নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ও সমালোচনা খুবই যৌক্তিক বলে মনে করেন তিনি।
এমআরবি বাংলাদেশের (সাবেক সিরিয়াস মার্কেটিং অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ) দর্শক জরিপ অনুযায়ী ঢাকায় বিটিভির দর্শক খুবই কম। ঢাকা মহানগর এলাকায় টেলিভিশন দর্শকেরা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ সময় দেশীয় টিভি চ্যানেলের সঙ্গে থাকেন। খেলা বা বিশেষ কারণে এটা ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়। বাকি সময়ে দর্শকেরা বিদেশি চ্যানেল দেখেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির গ্রুপ বিজনেস পরিচালক সমীর পাল জানান, জরিপ অনুযায়ী, ঢাকার দর্শকেরা যতক্ষণ টিভি দেখেন, তার মধ্যে ৭০ দশমিক ২৪ শতাংশ সময় তাঁদের চোখ থাকে বিদেশি চ্যানেলগুলোর ওপর, বাকি প্রায় ৩০ শতাংশ সময় স্থানীয় চ্যানেলগুলোর সঙ্গে থাকেন। এই স্থানীয় চ্যানেলগুলোতে থাকা দর্শকেরা মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ সময় দেন বিটিভি দেখার জন্য। ২০১০ সালে এই হার ছিল ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার সময় অধিকাংশ বেসরকারি চ্যানেলের দর্শক বাড়ে। এর আগের বছর দর্শকেরা বিটিভির পর্দায় সময় দিতেন ২ দশমিক ১১ শতাংশ। কিন্তু রাজনৈতিক সংকটের সঠিক চিত্র তুলে না ধরায় ২০১৩ সালে তা কমে হয় ১ দশমিক ৩।
বিটিভি অর্ধশতক পূর্তি (১৯৬৪-২০১৪) উৎসব করতে যাচ্ছে ২৫ ডিসেম্বর। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, শুধু উৎসব করলেই হবে না, রাষ্ট্রীয় এই প্রচারমাধ্যমে গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে এবং পর্দায় তা দৃশ্যমান হতে হবে। তাঁর মতে, অন্য চ্যানেল দেখার সুযোগ থাকলে কেউ বিটিভি দেখে না—এটাই আজকের দুঃখজনক বাস্তবতা।
তবে বিটিভির দর্শক কমার বিষয়টি মানতে রাজি নন এর মহাপরিচালক আবদুল মান্নান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বিটিভি এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা ধারণ করে সময়ের স্রোতে এগিয়ে যাচ্ছে।
নিয়োগ বন্ধ, পদোন্নতির ধুম: প্রায় অর্ধযুগ ধরে বিটিভিতে সরাসরি নিয়োগ বন্ধ। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের তৈরি নিয়োগবিধি অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগের বদলে গণহারে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এখন পদোন্নতি দেওয়ার মতো আর কর্মকর্তা নেই। কিন্তু শিক্ষিত ও যোগ্য কর্মকর্তার অভাব প্রচণ্ড। সর্বশেষ ২০১০ সালের ৩০ মে প্রকাশিত ১৬৯ জন কর্মকর্তার জ্যেষ্ঠ তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্নাতক পার না হতে পারা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা তখন পর্যন্ত ছিলেন কমপক্ষে ১৫ জন।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি কেন্দ্র, ১৪টি উপকেন্দ্রসহ রামপুরার প্রধান কার্যালয়ে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত বিটিভির অনুমোদিত পদ এক হাজার ৬৬৭টি। এর মধ্যে ৪০৪টি পদ শূন্য এবং এঁদের ১৫২ জনই প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। ২০০৯ সাল থেকে সেখানে সরাসরি নিয়োগ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে জনবল নিয়োগের চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির দেড় শ জনবলের ঘাটতি আগে দূর করা হবে।
মন্ত্রণালয় ও বিটিভির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমান তথ্যমন্ত্রী জাসদের নেতা হওয়ায় বিটিভির বিষয়ে তিনি কোনো ব্যবস্থা নিতে চাইলে সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান সরকারি দলের নেতারা বা সরকারের গোঁড়া সমর্থক কর্মকর্তারা।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, তথ্যমন্ত্রী হিসেবে উনি বিটিভিতে সুবিধা করতে পারছেন না, এটা বোঝা যায়। কিন্তু খবর ও অনুষ্ঠানের মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিটিভির সুনাম ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব তাঁরই।
বিটিভি দেশের একমাত্র টেরেস্ট্রিয়াল চ্যানেল, এর নেটওয়ার্ক প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে। বিটিভির দাবি, ঢাকাসহ শহরাঞ্চলে এর দর্শক তুলনামূলক কম হলেও গ্রামাঞ্চলে তা প্রায় একচেটিয়া। কারণ, গ্রামে এখনো বেসরকারি চ্যানেলগুলো সেভাবে পৌঁছায়নি।
আয় কমেছে: এক দশক আগেও বিটিভির লাভ ছিল ৫২ কোটি টাকা। ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে লোকসান হতে থাকে। ওই বছরে বিটিভির আয় ছিল প্রায় ১৩২ কোটি টাকা, ব্যয় ছিল ১৪৩ কোটি টাকা। লোকসান হয় ১১ কোটি টাকা।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ ছিল প্রায় ২০০ কোটি টাকা। মোট আয় হয়েছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা, বাকি ১১০ কোটি টাকার মধ্যে তরঙ্গ ফিসহ অন্যান্য খরচ ৮০ কোটি টাকা। বিটিভির ঘাটতি এখন প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
এক দশক আগেও (২০০৩-০৪) বিজ্ঞাপন থেকে বিটিভির আয় হয়েছিল ৮৩ কোটি টাকা। ২০১২–১৩ অর্থবছরে বিজ্ঞাপন থেকে আয় ছিল ১০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ৮৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা পূরণ হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বলেন, বিজ্ঞাপন ভাগ হয়ে গেছে। বিটিভিতে বিক্রয় ও বিপণনে যোগ্য লোক নেই। তা ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় নিয়মের বাইরে বিটিভি বিজ্ঞাপন নিতে পারে না।
আমলানির্ভর গণমাধ্যম:  অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিটিভির বার্তা, প্রশাসন ও অর্থবিষয়ক কর্মকাণ্ড মূলত আমলারাই দেখভাল করেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুল মান্নানকে বিটিভির মতো কারিগরি প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কবি হিসেবে পরিচিত হলেও সংবাদমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা ছিল না।
রাজনৈতিক পরিচয়ে উপমহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া বাহারউদ্দিন হলেন এখন বিটিভির হর্তাকর্তা। মূলধারার সাংবাদিকতায় অনভিজ্ঞ হলেও উপমহাপরিচালকের (বার্তা) আরেকটি পদেও তিনি বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বিটিভির মহাপরিচালক সম্পর্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে বলে থাকেন, তিনি বিটিভি দেখেন বাহারউদ্দিনের চোখ দিয়ে।
আমলা মহাপরিচালক ও রাজনৈতিক প্রভাব থাকা অতিরিক্ত মহাপরিচালকের বহরে যুক্ত হওয়া আরেকজন আমলা সম্প্রতি অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (বার্তা) দায়িত্ব থেকে মূল পদে ফেরত গেছেন। ওই পদে বছর পাঁচেক আগে অবসরে যাওয়া বিটিভির একজন নারী কর্মকর্তাকে সম্প্রতি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরিচালক (অর্থ) পদে একজন যুগ্ম সচিব এবং অতিরিক্ত পরিচালক পদে আরও কয়েকজন উপসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বিটিভিতে দায়িত্ব পালন করেছেন ৩৫ জন মহাপরিচালক। এঁদের মধ্যে বিটিভির নিজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন পাঁচজন। তথ্য ক্যাডার থেকে তিনজন এবং চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের চারজন এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি সবাই ছিলেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। এঁদের মধ্যে এম এ সাঈদসহ দু-তিনজন মহাপরিচালক এই প্রচারমাধ্যমের জন্য অবদান রাখতে পারলেও অন্যরা শুধুই চাকরি করেছেন। এখানে বেশির ভাগ মহাপরিচালক দায়িত্ব পালন করেছেন এক থেকে দুই বছর। সংকটকবলিত এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় সবাই গা বাঁচিয়ে মেয়াদ পার করেছেন।
মাধ্যমটিতে মহাপরিচালক থেকে ব্যবস্থাপক পর্যন্ত তিন ডজন পদে নিজস্ব কর্মকর্তা আছেন পাঁচ-ছয়জন। বাকিরা অতিরিক্ত দায়িত্বে, প্রেষণে বা পদোন্নতি পেয়ে এসেছেন। যোগ্য নেতৃত্ব ও দক্ষ জনবলের সংকট এবং অপ্রয়োজনীয় ও অস্থায়ী কর্মচারীর আধিক্যে বিটিভির অনুষ্ঠানের মান ও ব্যবস্থাপনা এখন তলানিতে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গত এপ্রিল পর্যন্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা ম হামিদ বলেন, নিয়োগবিধি ও পদকাঠামো ঠিক না করা পর্যন্ত বিটিভির কোনো কিছুই ঠিক হবে না। তাঁর মন্তব্য, প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করতে চাইলে ঢেলে সাজাতে হবে।
বিটিভির দর্শকপ্রিয়তা কমছে, সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে কি?: বিটিভির একজন প্রযোজক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিটি সরকারই জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য চ্যানেলটি ব্যবহার করছে। এতে সরকার কতটা লাভবান হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু বিটিভির ক্ষতি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, বেসরকারি চ্যানেলে যখন বিটিভির খবর প্রচার শুরু হয়, তখন দর্শক দ্রুত অন্য চ্যানেলে চলে যায়।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দাবি, বিটিভির খবরে বিরোধী দলকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো নির্দেশনা নেই। এটা কর্মকর্তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
এই প্রতিবেদন তৈরির সময় গত ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডের খবর পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিটি খবরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মন্ত্রীদের অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। মাঝেমধ্যে বিটিভির পর্দা কালো বা ঝাপসা হয়ে যায়, ছবি কাঁপতে থাকে, শব্দ ভেঙে যায়।
এই তিন দিনে বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে নিয়ে একটি মাত্র খবর ছিল। তখন এরশাদ ও রওশন এরশাদের মধ্যে বিরোধ নিয়ে গণমাধ্যম সরব ছিল। অথচ বিটিভির খবরে বলা হয়, এরশাদ ও রওশনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। এই তিন দিনে বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা ছিল, কিন্তু সংগঠন দুটির কোনো খবর বিটিভিতে ছিল না।
রামেন্দু মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর যেকোনো খবর প্রথমে দিতে হবে, বিটিভির এই অভ্যাস পরিহার করা উচিত।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, সরকার সব খবর ও একটি টক শো নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যদি বাকি অনুষ্ঠানগুলো নির্দলীয়ভাবে ও মান বিবেচনায় প্রচারের সুযোগ দিত, তাহলেও বিটিভি প্রতিযোগিতায় টিকতে পারত।
বিতর্কিত কিছু ভূমিকা: মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে পরিচিত মুসা বিন শমসেরকে গত ২৮ জুলাই বিটিভিতে ‘কৃতী বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন তাঁর কথিত ৫৩ হাজার কোটি টাকার সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে।
জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যক্তিকে নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনে জড়িত ব্যক্তিরা চিহ্নিত হয়েছেন। তবে মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তদন্ত প্রতিবেদনে একজন শীর্ষ কর্মকর্তার নাম আসায় এটি হিমঘরে চলে গেছে। মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি শুধু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জানানো হয়েছে।
বিটিভির মহাপরিচালক বলেছেন, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। তবে কাজটি ঠিক হয়নি।
বিটিভি প্রায়ই এমন বিতর্কিত কাজ করছে। এমনকি সরকারের মন্ত্রী-আমলা ও মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি বিভিন্ন ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পেশাদারত্বের অভাবে এগুলো ঘটছে। বাইরে থেকে প্রেষণে বা চুক্তিতে কর্মকর্তা এনে এবং অদক্ষ জনবল দিয়ে আধুনিক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারবে না বিটিভি।

 

প্রথম আলো

Facebook Comments

Leave a Reply