‘পাঁচ তারকা হোটেলেও তো এত বিল হয় না’

3

নির্বাচন নিয়ে জটিলতায় হকি ফেডারেশনের কর্মকাণ্ড আপাতত স্থবির। তার ওপরে গত অক্টোবরে এশিয়ান কাপ হকি সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করেও ফেডারেশন স্বস্তিতে নেই। টুর্নামেন্টে নির্দিষ্ট বাজেটের বেশি অর্থ ব্যয় করার ব্যাখ্যা চেয়ে পাঁচটি সাব-কমিটির চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল ফেডারেশন। এ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। একটি সাব-কমিটি চিঠি দিয়ে উল্টো ফেডারেশনের কাছেই ব্যাখ্যা চেয়েছে।জাতীয় দলের সাবেক তারকা মামুনুর রশীদ ছিলেন এশিয়া কাপের টুর্নামেন্ট কমিটির সেক্রেটারি। ফেডারেশনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে গত ১৯ নভেম্বর তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘জাতীয় দল চীনে যাওয়ার সময় কলকাতা এয়ারপোর্টে একবেলা খাবারের বিল হয়েছিল এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। যদি অন্যদের বিল ধরা হয়, তাহলে এই বিল ধরা হবে না কেন?’কথাটা শুনে বেশ ক্ষুব্ধ জাতীয় দলের কোচ মাহবুব হারুন। এশিয়া কাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে তার অধীনেই চীন গিয়েছিল বাংলাদেশ। দলের অর্থসংক্রান্ত বিষয় দেখার দায়িত্বও ছিল তার। মামুনের মন্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমি দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে ফিরে বাংলা ট্রিবিউন পড়ে জানতে পারলাম আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। যে এমন কথা বলছে সে চরম বোকা, সে হাস্যকর কথা বলছে। একবেলার খাবার খরচ এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা হতে পারে না। ১৯ দিনের সফরে নাস্তা সহ অন্যান্য খাতে খরচ হয়েছে, গেঞ্জি কিনতে হয়েছে। তাছাড়া এয়ারপোর্টে ওভার ওয়েটের বিলও ছিল। একাধিক এয়ারপোর্টে নাস্তার বিল তো ছিলই। আমাদের সফরে কিছু কিছু জায়গায় তো বাজেটই রাখেনি ফেডারেশন। তাহলে বুঝে নিন, এই অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে!’একবেলার খাবার খরচের অঙ্ক শুনে মাহবুব হারুন বিস্মিত, ‘পাঁচ তারকা হোটেলে একবেলার খাবার বিলও তো এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা হয় না্! মামুন কথাটা কী মনে করে বললো বুঝতে পারছি না। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কেউ জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে চাইবে না।’