ছাত্রলীগ নেতার মেয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী

15

 ৬ ডিসেম্বর জেলার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। এ কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে ৩২ বছর বয়সী রাসেলকে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আল আমিনকে (সানু) যিনি বিবাহিত এবং ছাত্রদল নেতা। এছাড়া সহ-সভাপতি করা হয়েছে বেল্লাল হোসেনকে যার বড় মেয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

বিতর্কিত এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে রাজাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রলীগ নেতা মো. শাওন ফরাজী।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রয়েছে। তারপরও উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে অবহিত না করে জেলা ছাত্রলীগ গোপনে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। বিবাহিত, একাধিক সন্তানের জনক, অছাত্র ও বিএনপি ঘেষাদের নিয়ে গঠনতন্ত্রকে পাস কাটিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে নাম রয়েছে এমন বেশ কয়েকজন বর্তমান কমিটি থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা বর্তমান কমিটিকে অবৈধ ও অগঠনতান্ত্রিক উল্লেখ করে তা বাতিল এবং অবিলম্বে এই কমিটি বিলুপ্ত করে কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রনেতারা বলেন, যেখানে উপজেলা কমিটিতে হাইব্রিড (নব্য) স্থান পায়, সেখানে বড় ধরনের ঝামেলার জন্য এবং ৩টা গ্রুপিংয়ের কারণে প্রায় ২ বছরের অধিক সময় কমিটি স্থগিত থাকায় কিভাবে জেলা থেকে এমন কমিটি দেয় এটা তাদের বোধগম্য নয়।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নিয়ম নীতি মেনেই কমিটি ঘোষণা করেছি। তারপরও কমিটির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
আতিকুর রহমান/এফএ/আইআই