বিনা যৌ’তুকে তোকে বিয়ে করেছি বলেই স্ত্রীকে পি’টিয়ে হ’ত্যা

40

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের খাদইল মিস্ত্রি পাড়া গ্রামে নুরুন্নাহার বৃষ্টি নামে এক গৃহবধূকে পি’টিয়ে হ’ত্যার অভি’যোগে স্বামী ও শ্বাশুড়ীকে আট’ক করেছে পু’লিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় খাদইল চকঝিনাহার গ্রামের স্বামীর বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, খাদইল চকঝিনাহার গ্রামের ধলু মিয়ার মেয়ে নুরুন্নাহার বৃষ্টির পারিবারিক ভাবে একই এলাকার আব্দুল মতিন সরদারের ছেলে জুয়েল সরদার (২২) এর সাথে বিবা’হ হয়।

বিবা’হের সময় বৃষ্টি নাবালিকা হলেও সুন্দ’রী হওয়ার কারণে কোন যৌ’তুক না নিয়ে গত ১০ মাস পূর্বে পারিবা’রিক ভাবে বি’বাহ করে। বিবা’হের পরে সংসারে অভা’ব অ’নাটন লেগেই থাকতো। স্ত্রীর চা’হিদা মত কোন কিছু দিতে না পারায় মাঝে মধ্যেই তাদের মধ্যে ‘বাক বি’তন্ডতা সৃষ্টি হতো। এক পর্যায়ে ২১ মে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্বামী স্ত্রীর তাদের কক্ষে শু’য়ে থেকে গল্প করছিল বলে পারিবারিক ভাবে জানায়।এক পর্যায়ে স্ত্রী বৃষ্টি আসন্ন ঈদ উপলক্ষে স্বামীর কাছে নতুন শাড়ী, জামা কাপড় সহ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস পত্রে আবদার করে। এতে স্বামী ক্ষি’প্ত হয়ে যৌ’তুকের দাবি করে বলে বিনা যৌ’তুকে তোকে বিয়ে করেছি।

কথা কাটা’কাটির এক’পর্যায়ে পাষন্ড স্বামী জুয়েল স্ত্রীকে এলো’পাথারী মার’পিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে সে জ্ঞা’ন হারিয়ে ফেলে। অবস্থা বেগতিক দেখে জুয়েল ও তার মা বেদেনা বেগম সহ পরিবারের সদস্যরা গলা ওড়’না পেচিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝু’লিয়ে রাখে।পরে এলাকাবাসী জানা জানি হলে মৃ’ত: দে’হ নামিয়ে শিবগঞ্জ হাস’পাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃষ্টিকে মৃ’ত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা ইন্সপেক্টর তদন্ত ছানোয়ার হোসেন প্রয়োজনীয় ফোর্স ও সঙ্গীয় অফিসার আলহাজ্ব উদ্দিন সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল থেকে মৃ’ত দেহ উ’দ্ধার করে সুরুত হাল রি’পোর্ট তৈরী করে থা’না হেফা’জতে রাখে।

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃষ্টির স্বামী জুয়েল সরদার ও তার মা আবেদা বেগম কে আট’ক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ময়না ত’দন্তের জন্য বগুড়া শজিমেকে প্রেরণ করা হবে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিবার থেকে মা’মলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।