ভারত সীমান্ত থেকে চীন-পাকিস্তানের সেনা সরিয়ে নিতে বাংলদেশের সাংবাদিকদের হুশিয়ারি!

661

উপমহাদেশে উত্তেজনা হ্রাসে ভারত সীমান্তের কাছ থেকে চীন ও পাকিস্তানের সৈন্য প্রত্যাহারের দাবিতে ‘জার্নালিস্টস ফোরাম ফর বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ’ জেএফবিআইএফ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে।
সমাবেশে বক্তারা উত্তেজনা হটাতে চীনের সৈন্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা বলেন, আমরা এই উপমহাদেশে শান্তি চাই, যুদ্ধ নয়। কেননা যুদ্ধ কখনও শান্তি বয়ে আনে না। একে তো চলছে করোনা কাল, তার ওপর চীনের সৃষ্ট এ উত্তেজনা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ।

চীন শুধু ভারত সীমান্তই নয়- তাইওয়ান, হংকং সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ও চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এর প্রতিবাদও জানিয়েছে যুক্তরাস্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশ।

বক্তারা বলেন, উত্তেজনার মধ্যে আরেক গরম খবর- ভারতের উত্তর প্রান্তের লাদাখ সীমান্তে ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন।

আমেরিকার পররাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেও গত মঙ্গলবার কোয়াড গ্রুপের সদস্য ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টোকিওতে এক বৈঠকে এ তথ্য তুলে ধরেন।

চীন লাদাখের মালিকানা দাবি করে মাসাধিকাল আগেও সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। চীনের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে ২০ ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান। এ নিয়ে উপমহাদেশের মানুষ চরম আতঙ্কিত। চীন শুধু নিজেই নয়- ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়েছে নেপালকেও।

চীনের ফাঁদে পা ফেলে নেপাল একধাপ এগিয়ে গিয়ে ভারতের ভূখণ্ডকে নিজেদের বলে দাবি করে তাদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জার্নালিস্টস ফোরাম ফর বাংলাদেশ- ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপের আহবায়ক সুকুমার সরকার, সদস্য আমাদের অর্থনীতি ও আমাদের নতুন সময়ের নির্বাহী সম্পাদক বিশ্বজিৎ দত্ত, ডেইলিখবর২৪.কমের পলিটিক্যাল এডিটর শামীম সিদ্দিকী প্রমুখ।

বক্তারা আরও বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস তৈরির হোতা তথা কারখানা উপমহাদেশের দুষ্টক্ষত পাকিস্তান বরাবরই কাশ্মীর সীমান্তে জঙ্গিপনা চালিয়ে শান্তি বিনষ্ট করে চলেছে। এতে হামলাকারী জঙ্গি ও সীমান্তে প্রহরারত ভারতীয় সেনার পাশাপাশি নিরপরাধ সাধারণ কাশ্মীর নাগরিকরাও প্রাণ হারাচ্ছেন; যা শান্তির পথে অন্তরায়।