Categories
সর্বশেষ সংবাদ

‘নয় সেকেন্ডে যে কাজ করা যায়, আমলারা তা ৯০ দিন লাগান’|

‘নয় সেকেন্ডে যে কাজ করা যায়, আমলারা তা ৯০ দিন লাগান’June 29th, 2:08pmJune 29th, 2:08pmmasud mdজাতীয়আমলাতন্ত্রের জটিলতা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফের বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, কিছু কিছু বিধি বা আমলান্ত্রিকতা অন্যায় এবং অমানবিক। যে কাজ নয় সেকেন্ডে করা যায়, সে কাজে আমলারা ৯০ দিন লাগান।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৯০ দিনের তিনগুণ সময়ও লাগান। আমলাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আইনকানুন পরিবর্তন করা যাচ্ছে না ‘দুষ্টু আমলাদের চাতুরির’ কারণে।বুধবার(২৯ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজিত ‘সরকারি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন।সাবেক এ আমলা বলেন, দুষ্টু আমলাদের ধরা যায় না। তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে যে নিয়মকানুনগুলো আছে- তা কঠোর নয়। এখন সময় এসেছে আইনকানুনের সংস্কারের। তবে সেগুলো পারা যাচ্ছে না।প্রশাসনের অনেক বিধি অপ্রয়োজনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রিটিশরা করে গেছে, যা এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।এগুলোর এখন কোনো বাস্তবতা নেই। কিন্তু অনেক ‘দুষ্টু আমলারা’ এসব বিধান চাতুরির সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে এসব বদলানোর, তা সত্ত্বেও এসব পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। আইনকে আইন দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য জনগণকে তুষ্ট রাখা হলেও অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক আইনের ধারার কারণে সম্ভব হচ্ছে না।এ সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, সংসদ সদস্য এনামুল হক। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রহমান, পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ প্যানেল আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে ছিলেন।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি শুরু

(১ মিনিট আগে) ২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ৬:৪৬ অপরাহ্ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত অনলাইনে বদলির (পাইলটিং) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বুধবার থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহিবুর রহমান, অধিদপ্তরের পরিচালক বদিয়ার রহমান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান প্রমুখ।

এ উপলক্ষে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, অনলাইনে এ বদলির কার্যক্রম শিক্ষকদের শান্তি ও স্বস্তি দেবে, তারা একাগ্রচিত্তে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে মনোনিবেশ করতে পারবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রয়াস নেবার পরও শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেড়ে কেজি স্কুলে ভর্তি হচ্ছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি এ অবস্থার পরিবর্তনে প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের হাতে আগামীর বাংলাদেশ, এ বাংলাদেশ যাতে মেধা ও জ্ঞান নির্ভর হয়ে গড়ে ওঠে সে জন্য সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। তিনি বলেন, চলমান ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আরও ৩০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে অনলাইন বদলির জন্য তৈরিকৃত সফটওয়্যারের বিভিন্ন দিকসমূহ তুলে ধরেন অধিদপ্তরের আইটি বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে কালিয়াকৈরে কর্মরত সহকারী শিক্ষক হাসান উদ্দিন ও ফাতেমা বেগম অনলাইনে বদলির আবেদন করেন।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

দর্জির শিরশ্ছেদ, উদয়পুরে কারফিউ, রাজস্থানে বন্ধ মোবাইল-ইন্টারনেট পরিষেবা

দর্জির শিরশ্ছেদ, উদয়পুরে কারফিউ, রাজস্থানে বন্ধ মোবাইল-ইন্টারনেট পরিষেবা

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

ড. ইউনূস, হিলারি ক্লিনটন ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি সংসদে

(১১ ঘন্টা আগে) ২৯ জুন ২০২২, বুধবার, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারের ওপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ দাবি জানান। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে প্রশ্ন করতে চাই, কোনও অপরাধ ছাড়া কেন এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। ইতোমধ্যে কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে, এখানে কোনও দুর্নীতি হয়নি। পদ্মা সেতু যাতে বাস্তবায়ন না হয়, এ জন্য দেশ-বিদেশি যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ড. ইউনূস, হিলারি ক্লিনটন, টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর স্যাংশন দেয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এসে নতুন করে কোনও ষড়যন্ত্র না করতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশের যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস, এতিম টাকা আত্মসাৎকারী খালেদা জিয়া এবং তার বড় ছেলে তারেক জিয়া। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছেন, তার সরকারের আমলে কেউ অপরাধ করে রেহাই পাবে না। আমি বিশ্বাস করি, যারা গরিবের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করে বিদেশের ব্যাংকে রেখেছেন, যাদের নাম পানামা পেপারস এবং প্যারাডাইস পেপারসে এসেছে, তাদের শিগগিরই দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

গুঞ্জন

গুঞ্জন

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

‘বাংলাদেশে টেস্ট ম্যাচ দেখে কয়জন’ প্রশ্ন সাকিবের

দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শোচনীয় সিরিজ হার। দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট খেলুড়ে দলের তকমা নিয়ে ঘুরলেও টাইগারদের উন্নতির অন্তরায় কী? প্রায়শই খেলোয়াড়দের টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে অনীহার গুঞ্জন ভেসে বেড়ায়। ক্রিকেটারদের অনাগ্রহই কি বাংলাদেশের এমন দুর্দশার কারণ? সাংবাদিকদের এসব প্রশ্নের যুতসই জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেন সাকিব। তিনি উল্টো সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান ‘বাংলাদেশে টেস্ট ম্যাচ দেখে কয়জন?’

সেন্ট লুসিয়ায় শততম টেস্ট ম্যাচ হারের স্বাদ নিয়ে সাকিব বলেন, ‘খেলোয়াড়দের এখানে খুব বেশি দোষ দেয়াটা ঠিক হবে না। শুধু খেলোয়াড়দেরই দোষ দিলে হবে না। আমাদের দেশের সিস্টেমটাই কিন্তু এমন। আপনি কবে দেখেছেন বাংলাদেশে ৩০ হাজার দর্শক টেস্ট ম্যাচ দেখভে বা  ২৫ হাজার দর্শক মাঠে এসেছে টেস্ট দেখতে?’ ম্যাচ শেষে সংবাদ মাধ্যমকে সাকিব বলেন, ‘ইংল্যান্ডে তো প্রতি ম্যাচে এমন সংখ্যক দর্শক থাকে। টেস্টের সংস্কৃতিটাই আমাদের দেশে ছিল না কখনো, এখনো নেই।’ টেস্টে ভালো করতে সবাই মিলে এই সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘টেস্ট সংস্কৃতি নেই বলে যে হবেও না, সেটাও কিন্তু নয়। এই জিনিসটা পরিবর্তন করাই আমাদের বড় দায়িত্ব। সবাই মিলে যদি একসঙ্গে পরিকল্পনা করে আগানো যায় তাহলেই হয়তো কিছু সম্ভব হবে।

নইলে আসলে খুব বেশি দূর আগানো সম্ভব হবে না।’ বাংলাদেশে টেস্ট ক্রিকেটকে যথার্থ মূল্যায়ন করা হয় না জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমার যে টেস্ট ক্রিকেটকে খুব বেশি মূল্যায়ন করি, তা নয়। হ্যাঁ, হতে পারে আমরা ভালো ফলাফল করিনি, এ কারণে মূল্যায়নও হয়নি। তবে একটার সঙ্গে আরেকটার সম্পর্ক আছে। একটার সঙ্গে আরেকটাকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই ভালো কিছু সম্ভব।’ 

আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে পরবর্তী টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে সেই সিরিজটিতে ভালো ফল পেতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা কামনা করেন সাকিব বলেন, ‘এই বিরতির মধ্যে যারা টেস্ট খেলতে আগ্রহী তারা হয়তো যার যার জায়গা থেকে উন্নতি করার চেষ্টা করবে। উন্নতি ছাড়া আর কোনো পথ নেই। আমাদের এমন কোনো সেটআপও নেই যাদের আনলে আমরা টেস্টে ভালো করে ফেলবো। যারা আছি বা বাইরে আর যে দুই-চারজন আছে, সবাই মিলে যদি একসঙ্গে পরিকল্পনা করে আগাতে পারি তাহলেই ভালো কিছু সম্ভব হবে। তা না হলে এতদিন ধরে যা হয়ে আসছে তা থেকে খুব বেশি একটা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

টেস্টের ব্যর্থতা টি-টোয়েন্টিতে ভুলতে চান সাকিব
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত সিরিজটি থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা শূন্য। ধবলধোলাই হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন সাকিব আল হাসান। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ২রা জুলাই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সিরিজের আগে সাকিব বলেন, ‘যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করেন, তাহলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এ সিরিজ। এরপর এশিয়া কাপ খেলবো, তার পরই বিশ্বকাপ। সে দিক থেকে সময় নেই। খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি (টি-টোয়েন্টি সিরিজ)।’ সাকিবের বিশ্বাস, ক্যারিবিয়ানে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভালো করলে তার ফল পাওয়া যাবে এশিয়া কাপেও। তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দলের সঙ্গে খেলাটা বড় চ্যালেঞ্জ। এখানে ভালো করতে পারলে শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপে খুব ভালোভাবে কাজে আসবে। আমরা জানি এশিয়া কাপ খুবই কঠিন হবে, যেখানে ভারত-পাকিস্তান (খেলবে), এমনকি আফগানিস্তানও এশিয়ার ভালো একটা দল। শ্রীলঙ্কাও ধারাবাহিকভাবে খুবই ভালো খেলছে।’

টেস্টে ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও সীমিত ওভারের খেলায় সমীহ জাগানিয়া প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। র‌্যাঙ্কিংয়েও সেরা দশে রয়েছে টাইগাররা। তাই টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলেও টি-টোয়েন্টি নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারে বাংলাদেশ। সাকিব বলেন, ‘অনেক উন্নতির জায়গা রয়েছে। দলগতভাবে খেলতে পারলে আমাদের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতা সম্ভব।’

২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টি-টোয়েন্টিতে সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। সেবার সিরিজটি জিতেছিল টাইগার বাহিনী। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বেশ পিছিয়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ ১০ ম্যাচের ৯টিতেই হার সঙ্গী হয়েছে লাল-সবুজদের। বিপরীতে ভারতের মাঠে সবশেষ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলেও তার আগে ঘরের মাটিতে ইংল্যান্ডকে সিরিজ হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
 

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

সভাপতিদের স্বাক্ষর জাল করে ৬৭ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

প্রকল্পের সভাপতিদের স্বাক্ষর জালিয়াতি, কাজ না করেই বিল উত্তোলন, প্রকল্পের অর্থ ছাড়ে ঘুষ নেয়াসহ নানা অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার দায়িত্বে আছেন। ওই কর্মকর্তা মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, ঈদগাহ্‌ মাঠ ও এতিমখানাসহ টিআর  সাধারণ প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রায় ৬৭ লাখ টাকা কৌশলে লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প সভাপতিদের অনেকেই বরাদ্দের কথা জানেন না। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থে বাস্তবায়িত মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর (বীর নিবাস), ছোট-বড় সেতু নির্মাণ, হেরিং বন বন্ড, কাবিখা, কাবিটা সাধারণ ও বিশেষ এবং টিআর সাধারণ ও বিশেষ প্রকল্পে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও স্থানীয় পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক লালু বলেন, কাজ করার পর বিল নিতে গেলে পিআইওকে দশ শতাংশ হারে ঘুষ প্রদান করতে হয়। ইতিমধ্যেই তিনি চার লাখ টাকার কাজ করে বিল নিতে গিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে দাবি করেন। 

  অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর টাকা) কর্মসূচির সাধারণ প্রথম পর্যায়ে (ক্রমিক নম্বর-১৫) পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর কর্মকারপাড়া দুর্গা মন্দির সংস্কারে বরাদ্দ দেয়া হয় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু সেখানে মাত্র ১৫ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। দুর্গা মন্দিরের সেক্রেটারি সুনিল চন্দ্র কর্মকার বলেন, পলাশবাড়ী পিআইও অফিসের আনিছ আমার হাতে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। বরাদ্দ কত টাকা তা জানানো হয়নি।

সেই সামান্য টাকায় মন্দিরের উন্নয়নমূলক কাজ করেছি।  এদিকে একই অর্থবছরে টিআর সাধারণ প্রথম পর্যায়ে (তালিকার ক্রমিক নম্বর-১৬) একই গ্রামের মুকুল চন্দ্র শীলের বাড়ির দুর্গা মন্দির সংস্কারে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও মন্দির সংশ্লিষ্টরা টাকা পেয়েছেন মাত্র ২০ হাজার।  মন্দির কমিটির সভাপতি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি প্রহল্লাদ চন্দ্র শীল বলেন, কয়েক মাস আগে পিআইও অফিসের অফিস সহকারী আনিছুর রহমান মন্দিরের উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য আমার হাতে ২০ হাজার টাকা দেন। এজন্য ছবিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নেন তিনি।

 এমনকি ব্যাংকের চেকসহ বেশ কয়েক জায়গায় আমার স্বাক্ষরও নেয়া হয়।  অন্যদিকে, ২০২১-২২ অর্থবছরে টিআর সাধারণ দ্বিতীয় পর্যায়ে আওতায় পলাশবাড়ী বেতকাপা ইউনিয়নের বেতকাপা যদু সরকারের বাড়ির দুর্গা মন্দির সংস্কারে (ক্রমিক নম্বর-৭) বরাদ্দ দেয়া হয় এক লাখ ৯৪ হাজার ২০১ টাকা। কিন্তু এই মন্দির সংস্কারে কোনো টাকা পাননি বলে জানালেন যদু সরকারের নাতি মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি উত্তম কুমার সরকার। মন্দির কমিটির সভাপতি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি স্বপন চন্দ্র বলেন, কয়েক মাস আগে স্থানীয় ফারুক মেম্বার মন্দিরের নামে বরাদ্দ আনার কথা বলে আমার কাছে থেকে কাগজপত্র নেন।  কয়েকদিন পর উপজেলার একটি অফিসে নিয়ে গিয়ে কয়েক জায়গায় স্বাক্ষর নেন। কিন্তু কোনো টাকা দেননি।  

২০২১-২০২২ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর টাকা) কর্মসূচির সাধারণ দ্বিতীয় পর্যায়ের আওতায় (প্রকল্প তালিকার ক্রমিক নম্বর-৩৫) পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের মরাদাতেয়া ব্রিজ হতে শুরু করে গোফফার মেম্বরের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা মেরামতে বরাদ্ধ দেয়া হয় দুই লাখ টাকা। কিন্তু এই প্রকল্পে কোন কাজ করাই হয়নি।  স্থানীয় সাবেক মেম্বর আব্দুল কাদের মন্ডল বলেন, এই আসনের সংসদ সদস্য সংশোধনী বরাদ্দে কাবিখা প্রথম পর্যায়ের আওতায় টাকিয়ার বাজার থেকে নালার বাতা (মরাদাতেয়া ব্রিজ) পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ৯ টন গম বরাদ্দ দেন। প্রকল্প সভাপতি স্থানীয় সরকার দলের নেতা আবু রেজা মো. আমিনুল ইসলাম নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দের গম উত্তোলন করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, টাকিয়ার বাজার থেকে দক্ষিণে নালার বাতা বা মরাদাতেয়া ব্রিজ পর্যন্ত কোনো রকমে এমপি’র কাবিখা প্রথম পর্যায়ের বরাদ্দে মাটির কাজ করা হয়েছে। সেই ব্রিজ থেকে উত্তরে গোফফার মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ দিয়ে পুরো টাকা গায়েব করা হয়েছে।  প্রকল্প সভাপতি সংরক্ষিত নারী সদস্য রাশেদা বেগম বলেন, এই প্রকল্প সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। 

ওই প্রকল্পে কোনো মাটির কাজও হয়নি। আমার স্বাক্ষর জাল করে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।  একই উপজেলার টিআর সাধারণ দ্বিতীয় পর্যায়ের আওতায় (তালিকার ক্রমিক নম্বর-৬) হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ঈদগাহ্‌ মাঠ সংস্কারে বরাদ্দ দেয়া হয় ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। কিন্তু এই ঈদগাহ্‌ মাঠে একটি টাকাও পায়নি সংশ্লিষ্টরা। ঈদগাহ্‌ মাঠ সভাপতি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, দুই বছরের মধ্যে সরকারি বা বেসরকারিভাবে  কোনো সাহায্য-সহযোগিতা এই মাঠের জন্য আমরা পাইনি।  এদিকে একই অর্থবছরে টিআর সাধারণ প্রথম পর্যায়ে একই গ্রামের সেলিমের বাড়ির পাশে ঈদগাহ্‌ মাঠ সংস্কারে ২ লাখ ২৮ হাজার ১ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও সেখানেও কোনো টাকা পৌঁছেনি।  ওই প্রকল্পে কাগজ-কলমে সভাপতি দেখানো হয়েছে ঈদগাহ্‌ মাঠের ইমাম সাফী হুজুরকে। তিনি দুই বছর আগে ওই মাঠের ইমামতি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। ২০২১-২২ অর্থবছরে টিআর সাধারণ দ্বিতীয় পর্যায়ে আওতায় পলাশবাড়ী হোসেনপুর ইউনিয়নের কদমতলী আল- কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং সংস্কারে (ক্রমিক নম্বর-৭) বরাদ্দ দেয়া হয় ২ লাখ টাকা। কিন্তু এই মাদ্রাসা সংস্কারে কোনো টাকা পাননি বলে জানালেন শিক্ষক খোরশেদ আলম। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে আমাকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি দেখানো হলেও আমি কিছুই জানি না। এখানে আমার স্বাক্ষর জাল করে বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন-পূর্বক আত্মসাৎ করা হয়েছে।  

এ বিষয়ে আনিছুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, আমার বাড়ির কাছের দুর্গাপুর শীলপাড়া ও কর্মকারপাড়ার দু’টি মন্দিরের টাকা তুলে প্রকল্পের সভাপতিদের হাতে দিয়েছি। তারা কিছু কাজ বাকি রেখেছিল। এরমধ্যে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হলে কাজ করতে একটু দেরি হয়েছে। এখন কাজগুলো শেষ হয়েছে।  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রেজাউল করিম বলেন, প্রকল্পগুলোর কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতি হয়নি। কারো স্বাক্ষরও জাল করা হয়নি। প্রকল্পগুলোর কমিটির মাধ্যমে কাজগুলো যথাযথভাবে করা হয়েছে। যারা অভিযোগগুলো করেছেন তারা মিথ্যা বলেছেন।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

অপরাধ প্রমাণ হলে বায়েজিদের শাস্তি কি হবে?

পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার বায়েজিদ ওরফে তালহা পেশাদার টিকটকার নন। তার মোবাইল ইউটিউব অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে মাত্র ৬টি টিকটক ভিডিও। এই ৬টি ভিডিও আবার আপলোড হয়েছে এক বছরে। চলতি বছরে তার ইউটিউব অ্যাকাউন্টে ২টি টিকটক ভিডিও আপলোড হয়েছে। নাট-বল্টু খুলে নেয়ার ঘটনায় বায়েজিদকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছেন অনেকটা মজা করে একটি অসঙ্গতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে সিআইডি বলছে, এটি তার অপরাধ কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে। তার নামে যে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫ঘ ধারাই মামলা হয়েছে ওই মামলায় তার অপরাধ প্রমাণ হলে সর্বনিম্ন ১৪ বছর এবং সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। বায়েজিদকে ইতিমধ্যে মামলার তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে নিয়ে গেছে। তিনি কীভাবে ওই কাজটি করেছেন তা সরজমিন দেখার জন্য তদন্তকারীরা গতকাল সকালে নিয়ে যায়।

বায়েজিদ ঘটনাস্থলের তার করা ভিডিওটির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে।

 তিনি যখন তার ভিডিওটি করছিলেন তখন আশপাশে বেশি লোকজন ছিল না। দূরে লোকজন ছিল। ঘটনাস্থলে সে প্রাইভেটকার নিয়ে গিয়েছিল। ওই প্রাইভেটকারের নম্বর প্লেটের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। সিআইডির কর্মকর্তারা বায়েজিদের বাসায় গিয়ে বলেন যে, তাকে টিকটক ভিডিওটির ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদের কথা শুনে বায়েজিদের মধ্যে কোনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা যায়নি। তিনি খুব মুক্ত মনে সিআইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিআইডির সদর দপ্তরে এসেছেন। তাকে যখন গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয় তখন থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং মামলার এজাহারে উল্লিখিত আসামি কাওসারকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। 

কাওসার ছাড়াও এ মামলার অজ্ঞাত আসামিদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। বায়েজিদের মামলার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।  গত রোববার স্বপ্নের পদ্মা সেতু জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৩৪ সেকেন্ডের একটি টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, বায়েজিদ তালহা সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে দুটি বল্টুর নাট খুলছেন। ভিডিও ধারণকারীকে বলতে শোনা যায়, ‘এই লুজ দ্যাহি, লুজ নাট, আমি একটা ভিডিও করতেছি,  দ্যাহো।’ নাট হাতে নিয়ে বায়েজিদ ওরফে তালহা বলেন, ‘এই হলো পদ্মা সেতু আমাদের……পদ্মা সেতু। দেখো আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু। এই নাট খুইলা অহন আমার হাতে।’ ভিডিওটি দ্রুত দেশে এবং বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিনই বিকালে শান্তিনগর এলাকা থেকে বায়েজিদকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। 

তার নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫ঘ ধারায় হওয়া পদ্মা দক্ষিণ থানার একটি মামলা হয়েছে। পুুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মামলার তদন্তের মুখ্য সমন্বয়ক সিআইডি’র সদর দপ্তরের সাইবার পুলিশের এসপি মো. রেজাউল মাসুদ মানবজমিনকে জানান, বায়েজিদ যে অপরাধ করেছে তার অপরাধ আদালতে প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ১৪ বছর জেল হতে পারে। আসামির কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তাকে আমরা ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়েছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

হজ্ব পালনে সৌদিআরবের নতুন নিয়মে ক্ষুব্ধ ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাভেল এজেন্সিগুলো – Face The People|

হজ্ব যাত্রার আবেদনের জন্য সৌদি সরকারের নতুন ব্যবস্থায় অনেক দেশেই চলছে অসন্তোষ। হজ্ব পালনে সৌদি সরকারের ব্যাপক ব্যয় বৃদ্ধি, কোটা পদ্ধতি চালুসহ বিভিন্ন ইস্যুতেই ক্ষুব্ধ মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো। এবার সৌদি সরকারের এমন আচরণের প্রত্যক্ষ সমালোচনায় নেমেছে ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাভেল এজেন্সিগুলো। তাদের দাবি, সৌদি স্রয়াক্র চালু করায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাভেল কোম্পানিগুলো। এজেন্সিগুলো বলছে, নতুন এই নিয়ম চালু করার ফলে ভ্রমণকারীদের হাজার হাজার পাউন্ড খোয়াতে হচ্ছে।

চলতি মাসে সৌদি সরকার ঘোষণা দেয়, ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ার হজ্ব যাত্রীরা এখন থেকে আর ট্রাভেল এজেন্সীগুলোর মাধ্যমে বুকিং দিতে পারবে না। এর পরিবর্তে তাদেরকে লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আর আগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, কোটায় হজ্ব যাত্রীর সংখ্যা মারাত্মক পরিমাণে কমিয়ে আনার ফলে এই বছর মাত্র কয়েক হাজার ব্রিটিশ মুসলিম হজ্ব করার অনুমতি পাবে। এক্ষেত্রে তাদের বর্তমানে বুকিং করে রাখা অন্যান্যদের হজ্ব ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ট্যুর অপারেটর/এজেন্টদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।জানা যায় জালিয়াতি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সৌদি আরব হঠাৎ করে এমন পরিবর্তন ঘোষণা করেছে। কিন্তু ট্যুর এজেন্সিগুলো বলছে সৌদি আরবের এমন হঠাৎ সিদ্ধান্ত এজেন্সিগুলোর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।উল্লেখ্য, হজ্ব যা সচ্ছল মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক, বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় আচারগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি বছর সাধারণত ২ মিলিয়ন লোক পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে।ব্রিটিশ হাজীদের দাতব্য কাউন্সিলের মতে, যুক্তরাজ্যের হজ্ব সেক্টরের মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড। ২০০৬ সালে থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্রাভেল কোম্পানির মাধ্যমে হজ্ব প্যাকেজ বুক করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কিন্তু এখন থেকে আবেদনকারীদের মোটাউইফ নামক একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে বুক করতে হবে। সেখানে একটি স্বয়ংক্রিয় লটারি সিস্টেমের মাধ্যমে ফাইনাল সিলেকশন করা হবে। তারপর নির্বাচিতরা সরাসরি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাসস্থান এবং পরিবহন বুক করতে পারবে। তবে বাদবাকি বিশ্বের মতোই এক্ষেত্রেও যাত্রীদের অবশ্যই ৬৫ বছরের কম বয়সী হতে হবে এবং করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণকারী হতে হবে।

Categories
সর্বশেষ সংবাদ

‘রাখঢাক করার কিছু নেই,আগামী নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য হারে ইভিএম বাড়াতে হবে’|

‘রাখঢাক করার কিছু নেই,আগামী নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য হারে ইভিএম বাড়াতে হবে’June 28th, 3:45pmJune 28th, 3:45pmmasud mdআওয়ামী লীগআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার বাড়ানোর পক্ষে। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লেখ্যযোগ্য হারে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার বাড়াতে হবে। রাখঢাক করার কিছু নেই। দিস ইজ লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। মঙ্গলবার(২৮ জুন) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত বৈঠকে অংশ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ মনে করে সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনের জন্য ইসির গ্রহণযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ এমনই তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এছাড়া ইসির দায়িত্বশীল নিরপেক্ষ আচরণ, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ইভিএমে ভোটগ্রহণের পদ্ধতি বৃদ্ধি করতে হবে। আওয়ামী লীগ মনে করে, ইসির কার্যক্রমে ইভিএমসহ প্রযুক্তি বৃদ্ধির কারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইভিএম ব্যবহারের ফলে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, নির্বাচনে জালিয়াতি ও ভোট চুরি বন্ধ হবে।কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য ইসির গ্রহণযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ইসির দায়িত্বশীল নিরপেক্ষ আচরণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ইভিএমে ভোটগ্রহণ জরুরি।বর্তমান সরকারের অধীনে নয়, বরং ইসির অধীনেই নির্বাচন হবে। এ সময় নির্বাচন সম্পর্কিত সব ধরনের কর্তৃত্ব থাকবে স্বাধীন কমিশনের।তিনি জানান, নির্বাচনকালে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আবশ্যকীয় সব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান ইসির তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত থাকবে। নির্বাচনকালীন সরকারের কর্মপরিধি কেবলমাত্র আবশ্যকীয় দৈনন্দিন রুটিন কার্যাবলীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। বর্তমান সরকার ইসির কোনো কাজে হস্তক্ষেপ করবে না।একটা কথা কেউ কেউ বলে থাকে তারা বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না এমনই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কিন্তু নির্বাচন হচ্ছে না, নির্বাচন হবে ইসির অধীনে। ইসিকে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য বর্তমান সরকার ফ্যাসিলেটেড করবে, সম্পূর্ণ সহযোগিতা আমরা দেবো।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ যেসব বিষয় নির্বাচন রিলেটেড, সেগুলো ইসির অধীনেই থাকবে। এখানে সরকারের করণীয় কিছু নেই। সরকার (নির্বাচনে) কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করতে মোটেও আগ্রহী নয়। নির্বাচন কমিশন দলগুলোর সঙ্গে কারিগরি বিষয়ে ভোটদান নিয়ে আলোচনার আয়োজন করেছে। আমাদের আমন্ত্রণ জানানোয় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ। এছাড়া তিনি বিতর্কিত কাউকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দেওয়া, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রিটার্নিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার নিয়োগসহ একগুচ্ছ দাবির কথা বলেন।সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল সদ্য শেষ হওয়া কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ায় কমিশনকে ধন্যবাদ জানায়।দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ ও লে কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও সহ দফতর সম্পাদক সায়েম খান।এ সভায় আমন্ত্রিত ১৩টি দলের মধ্যে ১০টি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংলাপে অংশ নেওয়া দলগুলো হলো-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল-এমএল, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।