হজরত শেখ হাসিনা’ তোমাকে অভিবাদন : স্বপন

288

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের ইতিহাসে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণের নির্দেশনার মধ্য দিয়ে এক মহৎ কাজ করেছেন।

যা এর আগে কোনো ইসলামী রাষ্ট্রনায়ক করতে পারেন নাই। তিনি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছেন। তাই শেখ হাসিনার নাম উচ্চারণ করার পূর্বে তার প্রতি সম্মানসূচক একটি শব্দ উচ্চারণ করতে চাই, ‘হজরত শেখ হাসিনা’ তোমাকে অভিবাদন।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ডেপুটি স্পিকার মুহাম্মাদ ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বপন বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক মুসলিম শাসক ও রাষ্ট্রপ্রধান মহৎ কর্ম করে তার নিজের দেশে এবং বিশ্ব ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। এসময় তিনি খোলাফায়ে রাশেদার এক খলিফা হজরত ওমর ফারুক (রা.) এর শাসনামলকে পৃথিবীর কল্যাণের ইতিহাসে এক ম্যাগনাকার্টার উল্লেখ করে বলেন, এখনও ওমরের শাসনামলকে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম সুন্দর শাসন আমল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তিনি ছদ্মবেশে প্রজাদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রজাদের দুঃখ কষ্ট লাঘব করতেন। তিনিই সর্বপ্রথম মুসলমান-অমুসলমান সকল প্রজাদের জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পেনশন সুবিধা চালু করেছিলেন। এরপর খলিফা হজরত ওসমান (রা.) খিলাফতের সময় মসজিদে নববীর পুনঃনির্মাণ কাবাগৃহের উন্নতি, গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ, রাস্তা, সেতু ও বাঁধ নির্মাণ করে এক অসাধারণ জনকল্যাণ করেছেন। ইসলামের আরও অনেক শাসক অনেক মহৎ কর্ম করে গেছেন।

তিনি বলেন, ওমর (রা.) মতো শেখ হাসিনা রাতের অন্ধকারে মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরতে পারেন না। তখন জনসংখ্যা ছিল কম। এখন ১৭ কোটি মানুষের গৃহে যদি যেতে চান তার এক জনমে পৌঁছাতে পারবেন না। এ কারণে তিনি সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে হজরত ওমর ও ওসমানের অনুসরণ করে মানবতার কল্যাণ করছেন।

তিনিই প্রথম ইসলামের ইতিহাসে এমন একজন বিখ্যাত নেতৃত্ব যিনি দুঃস্থ মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের কল্যাণ ভাতা চালু করেছেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। কওমী, ইবতেদায়ী মাদরাসাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

Loading...