“দুর্নীতির বড় শিকার গ্রামের সহজ-সরল মানুষ”

97

স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীতি এবং দেশের সাধারণ মানুষের অর্থের অপচয় রোধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির সবচেয়ে বড় শিকার হন গ্রামের সহজ-সরল মানুষগুলো। তাই তাদের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের অনেক কমকর্তা-কর্মচারীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসছে দুদক।’

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুদক কার্যালয়ে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির সেন্টার ফর অর্গানাইজেশন অ্যান্ড সোস্যাল ইনফরমেটিকসের পরিচালক গিলিয়ান ওলিভার ও ড. ল্যারি স্টিলম্যানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দল দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

দুদক চেয়ারম্যান এসময় বিভিন্ন অনুসন্ধান এবং কাজের ক্ষেত্রে দুদক কর্মকর্তাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। জনগণও তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হচ্ছেন। দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বাড়ছে। এ অবস্থায় কাজের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ হতে হবে।এসময় দুদকের গবেষণা, তথ্য প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল।

আলোচনার শুরুতেই ড. ল্যারি স্টিলম্যান জানান, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা জেনেছি দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতি প্রতিরোধে সৃজনশীল এবং প্রশংসনীয় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এসব কার্যক্রম বিশেষ করে প্রযুক্তিগত উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় দুদকের একাডেমিক পার্টনার হলে কমিশন প্রযুক্তিগত, গবেষণা, অপরাধবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও সৃজনশীল এবং উদ্ভাবনীমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

এসময় দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের প্রতিরোধ অনুবিভাগের মহাপরিচালকের উদ্দেশে বলেন, কমিশন এবং মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় যেসব ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করতে পারে প্রথমে সেগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

দুদক চেয়ারম্যান প্রতিনিধি দলের উদ্দেশে বলেন, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম অনুসারে যেসব কোর্সে আমাদের কর্মকর্তাদের পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগবে, সেসব বিষয়ে আমরা অধিকতর গুরুত্ব দিতে চাই। রিয়েল টাইম ইনভেস্টিগেশন ও প্রসিকিউশনে আমাদের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকলে ভালো হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন দুদকের প্রতিরোধ অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল, তদন্ত অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেন প্রমুখ। সূত্র বাংলা ট্রিবিউন

Loading...