ব্রিটিশ ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি বিজিএমইএ’র

40

বছরের পর বছর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের নাকের উপর ছড়ি গুড়িয়ে আসছে বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এবার করোনা পরিস্থিতিতে অমানবিক হওয়া এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় ওই সব ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দিয়েছে এ খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

শুক্রবার বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পিকক, জ্যাগার, বনমারচে এবং ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ফিলিপ ডে’কে পাওনা পরিশোধের অভিয়োগে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এজন্য বিজিএমইএ আগামী ২৯ মে মধ্যে পাওনা নিস্পতির জন্য তাগিদ দিয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, দেশের পোশাক খাতের ৮টি প্রতিষ্ঠান তাদের বকেয়া পরিশোধ করছে না বলে অভিয়োগের প্রেক্ষিতে এই চিঠি দেওয়া হয়। ইডিনবার্গ ওলেন মিল্স (ইডাব্লিউএম) পিককের মাদার প্রতিষ্ঠান। এছাড়া মোট ৮২ লাখ ১৭ হাজার ৯১৮ ডলারের বকেয়া রয়েছে এসব অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে।

বিজিএমইএ সূত্রে জানা যায়, কমোডা গার্মেন্ট লিমিটেড, ইমপ্রেস ফ্যাশন লিমিটেড, রিভারসাইড সুয়েটার, রোজ সুয়েটার, স্কাই লাইন অ্যাপারেলস, সাউদার্ন ক্লদিং লিমিটেড, সাউদার্ন ডিজাইনার্স লিমিটেড, স্টিস ওয়েল লিমিটেড ইডাব্লিউএম’র কাছে বকেয়া পরিশোধের তাগাদা দিলেও দীর্ঘ দিন ধরে তারা বিষয়টি আমলে নিচেছ না।

এদিকে, সম্প্রতি করোনাভাইরাস মহামারি চলাকালে বিশ্বব্যাপী ক্রেতারা বাংলাদেশের পোশাক খাতের তিন বিলিয়নের বেশি ক্রয়াদেশ বাতিল করেছে। কেউ স্থগিত, কেউ পরে নেওয়ার কথা বললেও পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে তেমন আগ্রহ নেই। অন্যদিকে উদ্যেক্তারা করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিককে মজুরি দিতে গিয়ে হিমশিম খাচেছন। শ্রমিকরা জীবন বাঁচাতে জীবকার জন্য জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে কাজ করছেন।

সূত্র জানায়, গত ২১ মে লেখা এই চিঠি বিজিএমইএ যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও দিয়েছে।

Loading...