ঝালকাঠিতে গৃহবধূর লাশ নিয়ে স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

24

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধ তার স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওই ইউপি সদস্যের বিচার দাবিতে মরদেহ নিয়ে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছে গৃহবধূর স্বজনরা।

শুক্রবার (২২ মে) শেষ বিকেলে বিক্ষোভকালে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিলে পরে মরদেহ গৃহবধূর বাবার বাড়িতে দাফনের জন্য নিয়ে যায় স্বজনরা।

পুলিশ ও গৃহবধূর স্বজনরা জানায়, রুনা লায়লা (২৬) নামের ওই নারী রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ কুদ্দুস হোসেনের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে স্বামীর বাড়িতে রাজাপুরের নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে নিজ শয়ন কক্ষ ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের মা এবং একই উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের ডহর শংকর এলাকার মোঃ নুর হোসেন গাজীর মেয়ে। ইউপি সদস্য কুদ্দুস এর সাথে শ্বশুর বাড়ির সাথে তার সম্পর্ক ভাল না থাকায় বাবার বাড়িতে গৃহবধূর যাতায়াত বন্ধ ছিল।

ইউপি সদস্য কুদ্দুসের দাবি, স্ত্রী রুনা লায়লা তার কাছে বাবার বাড়ি যাওয়ার আবদার করে। এতে কুদ্দুস স্ত্রীকে ধমক দিয়ে ঘরের বাইরে যায়। কিছুক্ষণ পরে ঘরে ফিরে শয়ন কক্ষে স্ত্রীকে ওড়না গলায় জড়িয়ে আড়ার সাথে ঝুলন্ত দেখতে পায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

এদিকে শুক্রবার শেষ বিকেলে বিক্ষোভকালে রুনা লায়লার স্বজনরা দাবি করেন, দীর্ঘ ধরে ইউপি সদস্য কুদ্দুস রুনা লায়লাকে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে। বৃহস্পতিবারও তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

Loading...

এদিকে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভের খবর পেয়ে পুলিশ এসে বিচারের আশ্বাস দিলে মরদেহ নিয়ে স্বজনরা বাড়ি ফিরে যায়।