ঐতিহ্যবাহী উর্দু ক্যালিগ্রাফি ধরে রাখতে চান কাশ্মীরি তরুণী

43

ছোটকাল থেকেই ক্যালিগ্রাফির প্রতি দুর্বলতা ছিল কাশ্মীরি মেয়ে সায়মা বাটের।

অবশেষে তিনি পেশা হিসেবেই বেছে নেন ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি ক্যালিগ্রাফি শিল্পকে।খবর জি নিউজের।

শ্রীনগরের অনন্তনগরের (বর্তমানে রাজবাগ এলাকা) বাসিন্দা সায়মা ছোটকাল থেকেই উর্দু ক্যালিগ্রাফির ভক্ত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারি মাধ্যমিক স্কুল থেকে পাশের পর তিনি কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন।কিন্তু তার বাবা-মা চেয়েছিলেন সায়মাকে চিকিৎসক বানাতে।

কিন্তু তার ইচ্ছা উর্দু ক্যালিগ্রাফি নিয়ে পড়াশুনা করা।কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হওয়ার পর তিনি শ্রীনগরের সরকারি শিল্প, ভাষা ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউশনে উর্দু ক্যালিগ্রাফি কোর্সে ভর্তি হন।

এ সময় বিভিন্ন বিদেশি ফাউন্ডেশনেও তিনি চাকরির সুযোগ পান।বর্তমানে তিনি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্যালিগ্রাফি শেখান।

ক্যালিগ্রাফি একাডেমির শিক্ষক আব্দুল সালাম কাসারি বলেন, খুবই মনোযোগী ছাত্রী ছিলেন সায়মা।শেখার অনেক ঝুঁক ঠিল তার।

খাত্তাতি নামে পার্সি এবং খুসনাভিসি নামে উর্দু ক্যালিগ্রাফ ছিল যা মুসলিম দেশ বিশেষ করে সৌদি আরব, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের হায়দ্রাবাদ, লাখনৌ ও মুম্বাইয়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল।

এখন প্রযুক্তির কারণে মানুষ ক্যালিগ্রাফ ভুলে যাচ্ছে।এ কারণে তিনি কাশ্মীরে নতুন করে ক্যালিগ্রাফ শিখার স্কুল খুলবেন বরে জানান।

Loading...