সিনহার শরীরে ও মুখে কয়েকটি লাথি মেরে মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ

1450

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ২০১৯ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক’ পেয়েছিলেন। পদক পাওয়ার জন্য তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে ছয়টি কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সব কটি ঘটনাতেই আসামি নিহত হন। (সূত্র: প্রথম আলো)
এসব ঘটনায় প্রদীপের ভূমিকা কি ছিল তার কিছুটা ধারনা পাওয়া যায় মেজর (অব) সিনহার হত্যাকান্ডের এজাহারে।
মামলার এজাহারে মেজর সিনহার বোন শারমিন লেখেন, ”বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলী টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ফোন দেন। তাঁর নির্দেশ পেয়ে লিয়াকত আলী বলেন, ‘ঠিক আছে স্যার, … শেষ কইরা দিতাছি।’

এরপরই মেজর (অব.) সিনহার শরীরের ওপরের দিকে কয়েক রাউন্ড গুলি করেন লিয়াকত আলী। গুলির আঘাতে সিনহা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান এবং নিজের জীবন বাঁচাতে ঘটনাস্থল থেকে উঠে পালানোর চেষ্টা করলে অন্য আসামিরা তাঁকে চেপে ধরে মাটিতে ফেলে দেয়। তখন সিনহাকে আরও এক রাউন্ড গুলি করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে প্রদীপ কুমার দাশ হাজির হন। তিনি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকা সিনহার শরীরে ও মুখে কয়েকটি লাথি মেরে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হন। তিনি মৃতদেহের মুখ বিকৃত করার চেষ্টা করেন।” -প্রথম আলো

Loading...