আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের তুলনায় ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ এখন পাকিস্তানে

134

এখনো বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ ভাইরা’সের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়ায় বাংলাদেশ এবং ভারতের গার্মেন্টস খাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীগণ। অভাবনীয় সাফল্য এবং যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপের ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের তুলনায় এখন আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকরীদের প্রথম পছন্দ পাকিস্তান।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশ এবং ভারত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে পাকিস্তানের দিকে ঝুকার কারণে অম্লমধুর সমস্যায় পরেছে পাকিস্তানের গার্মেন্টস সেক্টর।

সংবাদমাধ্যমে আরো বলা হয়, অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক অর্ডারের কারণে পাকিস্তানের গার্মেন্টস সেক্টর আগের চেয়েও ভালো অবস্থানে থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে তুলা না থাকায় সুতার সংকটে পরেছে দেশটি।

বলা হচ্ছে, হঠাৎ ক্রেতারা বাংলাদেশ এবং ভারত থেকে বিমুখ হয়ে পাকিস্তানের গার্মেন্টসগুলোতে অর্ডারের ঝড় তুলার ফলে এই সংকট দেখা দিয়েছে।
এছাড়াও বলা হচ্ছে, করোনার প্রাদুর্ভাবে পর্যদুস্ত হয়ে তার প্রভাব কাটিয়ে এখনো তারা (বাংলাদেশ-ভারত) এই পর্যায়ে পৌঁছেনি যে, বস্ত্র সামগ্রী উৎপাদন করে আমেরিকা এবং ইউরোপের বাজারগুলোতে অনটাইম ডেলিভারি দিবে!

এই কারণেই ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনের সব চাপ এখন পাকিস্তানের টেক্সটাইল এক্সপোর্টকে সহ্য করতে হচ্ছে।
অপরদিকে গার্মেন্টস সেক্টরের প্রধান কাঁচামাল সুতার সংকটের কারণে পাকিস্তানের শিল্পপতিরা সংবাদমাধ্যমগুলোতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন,যদি সুতা দুষ্প্রাপ্য হতে থাকে তবে একদিন আমাদের উপাদানগুলোও দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাবে।
শিল্পপতিরা বলেন, আমাদের ক্লায়েন্ট আমাদেরকে শীপমেন্টের জন্য ৩৫ থেকে ৪০ দিন সময় দিয়ে থাকে। অপরদিকে সুতা নিতে গেলে কটন মিলগুলো আমাদের কাছে ৩ মাসের সময় চাচ্ছে!

পাকিস্তানের রপ্তানিকারকরা বলছেন,সরকার যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেন তবে পাকিস্তানে শুধুমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোর অর্ডার আসাই বন্ধ হবে না!বরং স্থানীয় শিল্পপতিরাও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র:জিও নিউজ।