ঢাবিতে ছাত্রদলের নারী নির্যাত’নবিরোধী বিক্ষোভ, হাতাহাতি

512

প্রকাশ:০৫ অক্টোবর ২০২০,আপডেট৫ অক্টোবর ২০২০নারী নির্যাত’নের প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করেন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাত’নের ঘটনার বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশের এক পর্যায়ে নিজেদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এতে ক্যাম্পাসে উ’ত্তেজনা দেখা দেয়।

দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টিএসসি এলাকার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. রাকিবুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সারা দেশে সংঘটিত নারী নির্যাত’নের তীব্র প্রতিবাদ করা হয়। এ সময় বক্তারা নির্যাত’নের ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে এসব জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান তারা।
এদিকে এই সমাবেশ চলাকালে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির দুটি পক্ষের মধ্যে উ’ত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিক্ষোভ শেষে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ করে ছাত্রদল। এই সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ঢাবি শাখার সদস্য সচিব আমানউল্লাহ আমান। এ সময় তিনি সমাবেশে উপস্থিত কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল কমিটির নেতাদের নাম উল্লেখ করে। সিনিয়রিটি বিবেচনা করে নাম উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু আমানউল্লাহ আমান যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমানের (ছাত্রদল মনোনীত সাবেক ডাকসু ভিপি প্রাথী) নাম বলেননি। এ সময় মোস্তাফিজুর রহমান সঞ্চালককে ক্রমানুসারে নামগুলো বলতে বলেন। তখন আমান তাকে গালি দিয়ে বলে, প্রোগ্রাম শেষ করে তোর হাত-পা ভেঙে ফেলব। এরপর উভয়ের মধ্যে বাকবিতাণ্ডা শুরু হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল তাদের থামিয়ে দেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রদলের একাধিক কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতা বলেন, প্রোগ্রাম শেষ হলে আমান, মোস্তাফিজুরসহ অন্যরা রাজু ভাস্কর্য থেকে নিচে নেমে আসে। এ সময় আমান মোস্তাফিজুর রহমানকে কিল, ঘুষি মারতে থাকে। পরে সিনিয়র নেতারা এসে তাদের থামিয়ে দেন।

এ বিষয়ে ঘটনার ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঝামেলা হয়েছে। আমরা নিজেরা এটি সমাধানের চেষ্টা করছি।