কর্মী সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ

BPL 2023 লাইভ দেখুন এই লিংকে  rtnbd.net/live

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলনে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে রোববার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

কর্মী সম্মেলনে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু ও জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হামীম শিকদার শিপলুর সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় ছুরিকাঘাতে চারজনসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ কয়েক দফায় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিলেও তারা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় কর্মী সম্মেলনের চেয়ার টেবিল ও স্টেজ ভাঙচুর করা হয়।

জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করে সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ। এতে জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান মাসুম, ডা. আবু জাফুর চৌধুরী বিরু।

এছাড়া আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা অতিথি ছিলেন। সম্মেলনের শেষের দিকে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে মঞ্চের পেছনে ডেকে নিয়ে জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হামীম শিকদার শিপলুর এক সমর্থককে মারধরের সূত্র ধরে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে শিপলুর লোকজন উত্তেজিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শিপলু বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরুর লোকজন আমার নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা করে। এসময় আমার সমর্থক শিকদার জিহাদ, শিকদার তাসফি, মাহমুদ রহমান রাব্বী ও ইমনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এছাড়া কাউসার, পলাশ, শাহরিয়ার, তানভীরসহ ছয়জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

তবে এ বিষয়ে ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি শিপলু চেয়ারম্যানের সমকক্ষ না। আমি জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আমার নেতাকর্মীরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত না।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান উল্লাহ বলেন, সংঘর্ষ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ উভয়পক্ষের লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

Check Also

হিরো আলমের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কর্মকর্তাকে সিইসির ফোন

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ …

5 comments

  1. Alhumduiallah

  2. পোশাকের স্বাধীনতা চাওয়া মানুষগুলোর জন্য,
    শীতকালে কম্বল সোয়েটার নি”ষি”দ্ধ করা হোক !! 😃😛👍✌️

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *