Categories
অনুসন্ধান

এবার শ্রীলঙ্কার মতো হবে ভারতের অবস্থা?

দেশটির ৭৩% শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে।এরপর দেনায় জর্জরিত অর্থনীতি।অর্থনীতিবিদরা মোদী সরকার কে সতর্ক করলেন, যেভাবে জিডিপির গ্রোথ নিচের দিকে নামছে তাতে অচীরেই ভারতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে, শ্রীলংকার চেয়েও মারাত্মক অবস্থা তৈরী হতে পারে। দারিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অচীরেই ৮০% এনেমে আসতে পারে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশটির মোট রিজার্ভের ৭০% এর অধিক ঋন।যেখানে ৬০% ঋনে শ্রীলংকা দেউলিয়া হয়ে গেছে, ৭০% এর অধিক ঋন নিয়ে কিভাবে টিকে থাকবে ভারতের অর্থনিতি তা ইতিমধ্যে মোদী সরকারের কপালে চিন্তার ভাজ তুলে দিয়েছে।

ভারতের বিদেশ থেকে নেয়া মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৩১ মার্চ, ২০২০ পর্যন্ত ৫৬৩.৯ বিলিয়ন ডলার। এর পরিমাণ দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ২০% এর বেশি।এই ঋণগুলো ভারত নিয়েছে বিভিন্ন মাল্টিল্যাটারাল, বাইল্যাটারাল উৎস থেকে- যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইডিএ, আইবিআরডি, আইএফআইডি এবং অন্যান্য জায়গা থেকে।

মাল্টিল্যাটারাল উৎস থেকে ভারতের নেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬০.২২ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাইল্যাটারাল উৎসের ভেতর ভারত ঋণ করেছে জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র এমনকি চীন থেকেও। এসব উৎস থেকে পাওয়া ভারতের মোট ঋণ এখন ২৬.৩৩ বিলিয়ন ডলার।
ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের পাবলিক ঋণ ২০২১ অর্থবছরে ৪০.১২% হতে পারে। ফিস্কাল মনিটরের এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী আইএমএফ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান এবং নেপালের গ্রস ঋণ প্রকাশ করেছে। আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মোট ঋণ এখন তাদের জিডিপির ৭৩.৮০%। এই হিসাব অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে।

এত ঋণ বিপরীতে ভারতের রিজার্ভ আছে ১২ জুন, ২০২০ পর্যন্ত ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার যেখানে বিদেশ থেকে নেয়া তাদের ঋণের পরিমাণ ৫৬৩.৯ বিলিয়ন। এখানে উল্লেখ্য ভারতের এই রিজার্ভ তাদের স্বর্ণ রিজার্ভসহ। আরো নির্দিষ্ট করে বললে তাদের ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের ভেতর Foreign Exchange Assets (FCA) এর পরিমাণ ৪৬৮.৭৩৭ বিলিয়ন, স্বর্ণের রিজার্ভের বাজার মূল্য ৩৩.১৭৩ বিলিয়ন, SDRs (Special Drawing Rights with the IMF) ১.৪৫৪ বিলিয়ন এবং বাকি ৪.২৮০ বিলিয়ন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.