মাদ’ক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় পলাশবাড়ীতে ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের উপর হা’মলা

19

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী সাদুল্যাপুর দুই উপজেলার সিমানায় ঢোলভাঙ্গা নামকস্থান জেলার ভিতর বহুল পরিচিত স্থান এখানে ভালো মন্দ উভয় প্রকার মানুষের বসবাস। তবে অন্যান্য স্থানের চাইতে এখানে অপরাধির সংখ্যা শুরু হতেই বেশী।

এলাকা নানা সময়ে নানা মাদ’ককারবারীর স্বর্গ রাজ্য হয়। মাদ’কের কারবার চলে এখানে নানা কৌশলে তাছাড়া এলাকায় আদি ডাকাত সদস্যদের বসবাস। যদিও বর্তমান সময়ে পুলিশ সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

এ কারণে অত্র এলাকা ডাকাতরা ভালো হয়ে গেলেও এর একটি অংশ গোপনে মাদ’কের সাথে সম্পৃত। তারা নানা কৌশলে মাদ’কের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। গাইবান্ধা শহর সহ আশপাশের উপজেলা থেকে এখানে মাদ’ক নিতে আসে অনেকে মাদ’ক সেবী। চলে অনেক রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল সিএনজির আনাগোনা।

এখান হতে দেশে বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার কল্পে মাদ’কের চালান আটকের একাধিক ঘটনা রয়েছে। তেমনি রয়েছে মাদ’ক ব্যবসা হতে আজীবনের জন্য সরে দাড়ানো অঙ্গিকার করা শপথকারী। গোটা জেলা যখন জেলা পুলিশের তৎপরতায় মাদ’ক ব্যবসা গুটিয়ে এসেছে আর এই কঠোরতার মধ্যেও ঢোলভাঙ্গায় নানা কৌশলে মাদ’ক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢোলভাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বহিরাগত এক মাদ’কসেবীর পরিচয় জানতে চাইলে স্থানীয় মাদ’ককারবারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম কে মারধর করে। গতকাল ১৯ মে এঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম।

এ অভিযোগ দায়ের পর অভিযুক্তরা আবারো বুধবার বিকালে রফিকুল ইসলাম কে মারধর করে মাথা আঘাত করে ।র’ক্তাক্ত করে ও তার পরিবারের উপর হা’মলা করে স্ত্রী সন্তানদের মারধর করে। এরপর আ’হতদের উদ্ধার করে পলাশবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি স্থানীয়রা ।

Loading...

পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান সরকারি মোবাইল নাম্বারে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তাহার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।