কুমিল্লা ও গাইবান্ধা কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে ৬ শিক্ষার্থী

IPL ের সকল খেলা  লাইভ দেখু'ন এই লিংকে  rtnbd.net/live

কুমিল্লা ও গাইবান্ধায় কারাগারে বসে ৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে কুমিল্লা কারাগারেই চারজন। আর দুইজন গাইবান্ধায়, তারা হ'ত্যা মামলার আসামি। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার অধীনে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন রোববার (৩০ এপ্রিল) কুমিল্লা কারাগারে বসে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা দিয়েছে এক ছাত্রীসহ তিন পরীক্ষার্থী। গণিত বিষয়ে আরও এক কারাবন্দী শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তারা বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা জেল হাজতে রয়েছেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে কারাগারে থেকে পরীক্ষা দিয়েছে—কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর সাহেরা লতিফ মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত তাবাসুম মিম, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মো. সজিব উদ্দিন এবং নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী আরাফাত। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বোর্ড সূত্র জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০৩–এর বিচারকের নির্দেশনায় কারাগারে থেকে রোববার পরীক্ষায় অংশ নেয় মেঘনা উপজেলার মানিকারচর সাহেরা লতিফ মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত তাবাসুম মিম। লক্ষ্মীপুরের রামগতির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে নির্দেশে পরীক্ষা দিচ্ছে রামগতি মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. সজিব উদ্দিন। আর নোয়াখালীর (আমলি আদালত-৮) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে পরীক্ষা দিচ্ছে সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী আরাফাত। এদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর হ'ত্যা মামলার দুই আসামি কারাগারে থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। তাঁরা হলো—উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের শান্তিরাম গ্রামের মো. আতাউর রহমানের ছেলে মো. আবদুর রাজ্জাক মিয়া ও একই গ্রামের মো. ফরিদুল ইসলামের ছেলে মো. বাদশা মিয়া। দুজনেই বেলকা এমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের ধর্মপুর ডিডি এম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘কারাগারের পরীক্ষা কক্ষে ডেপুটি জেলার ও একজন সহকারী শিক্ষকসহ পুলিশ কনস্টেবল উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দুজনেই পরীক্ষা ভালোভাবেই শেষ করেছে বলেও জানিয়েছেন জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম।’ উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ জুলাই বেলকা এমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার রহমান শিহাবকে অপহরণ করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ঘটনার পরদিন ১৫ জুলাই শিহাবের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হয় কাপাসিয়া ইউনিয়নের তিস্তা নদী থেকে। ১৬ জুলাই অজ্ঞাতনামা আসামি করে হ'ত্যা মামলা করেন শিহাবের বাবা মো. আনিছুর রহমান। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মো. জিন্নাহ মিয়া নামে আরেক আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছে। Great)

Check Also

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: লাঙলের প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে একটি পরিকল্পিত নগর হিসাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন সিটি …