বহিষ্কার হচ্ছেন বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা

IPL ের সকল খেলা  লাইভ দেখু'ন এই লিংকে  rtnbd.net/live

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী বিএনপি নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। তাঁদের আজীবন বহিষ্কারের জন্য আজ বুধবার কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাচ্ছে খুলনা মহানগর বিএনপি।রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, বিএনপির সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলরদের মধ্যে চারজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে আশফাকুর রহমান কাঁকন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে মাহাবুব কায়সার, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে শমসের আলী মিন্টু ও সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাজেদা বেগম।এর মধ্যে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাঁকন ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক। ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহাবুব কায়সার আগেই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শমসের আলী মিন্টু ও সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাজেদা বেগম দলের কোনো কমিটিতে নেই।প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাঁকন বলেন, ভোটারদের প্রতি সম্মান দেখাতে গিয়ে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি অনুগত।মাজেদা বেগম বলেন, ‘আমি বিএনপির কোনো কমিটিতে নেই। আমাকে বহিষ্কার করলেই কী, না করলেই কী? ভোটারদের অধিকার আদায় করতে আমি ভোটে দাঁড়িয়েছি।’এ বিষয়ে শমসের আলী মিন্টু বলেন, ভোটারদের চাপের মুখে তিনি নির্বাচন করছেন। গত পাঁছ বছর তিনি কাউন্সিলর থাকাকালীন কাজ করেছেন। ভোটাররা তাঁকে নির্বাচন করতে চাপ দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দলের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।এদিকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেননি ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ও বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি। বিগত দুই নির্বাচনে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু দলের সিদ্ধান্ত মেনে এবার তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।এ ব্যাপারে হাফিজুর রহমান মনি বলেন, ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। দলের বৃহত্তর স্বার্থে নিজেকে কোরবানি দিলাম। এলাকাবাসী আমার সিদ্ধান্তে কষ্ট পেয়েছেন। তাঁদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শফিকুল আলম তুহিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলের প্রতিটি সভায় নেতাদের বারবার নির্বাচনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা কাউন্সিলরদের বোঝানো হয়েছে। যাঁরা কথা শোনেননি, তাঁদের বহিষ্কার করা ছাড়া উপায় নেই। যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁদের আজীবন বহিষ্কারের বিষয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ করা হবে। আজই (বুধবার) এই সুপারিশ পাঠানো হবে। awesome)

Check Also

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: লাঙলের প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে একটি পরিকল্পিত নগর হিসাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন সিটি …